বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৪৮ অপরাহ্ন




গণভবনে গিয়ে নেতাদের মুক্তির দাবি জানালো হেফাজত

আউটলুকবাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ৯:১৭ pm
Hefazat-e-Islam Hefazat Islam কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক একটি সংগঠন হেফাজতে ইসলাম হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
file pic

হেফাজতে ইসলামের একটি প্রতিনিধি দল গণভবনে গিয়ছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তারা। বিভিন্ন ইস্যু থাকলেও মূলত হেফাজতের নেতাকর্মীদের নামে সব মামলা প্রত্যাহার এবং কারাবন্দী হেফাজত নেতাদের মুক্তির দাবি ছিল অন্যতম।

শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) আসর নামাজের পর গণভবনে প্রবেশ করেন হেফাজত নেতারা। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় বের হন তারা। হেফাজত মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে অংশ নেন।

হেফাজত নেতা মাওলানা মুহিউদ্দিন রব্বানী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য হেফাজত প্রস্তুতি ছিল। শনিবার হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে গুলিস্তানে কাজী বশির মিলনায়তনে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন অংশ নিতে সারা দেশের কেন্দ্রীয় নেতারা ঢাকায় আসেন। এ কারণে এই দিনই প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া ও সাক্ষাতের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ উপলক্ষে শুক্রবার করোনা পরীক্ষা করেন হেফাজত নেতারা।

সূত্র জানায়, হেফাজত মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে সাত দফা দাবি উপস্থাপন করেন। সেখানেও কারবন্দী হেফাজত নেতাদের মুক্তির দাবি উঠে আসে। হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা নাছিরউদ্দীন মুনিরসহ হেফাজতের সব নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান তারা। হেফাজত নেতাদের নামে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর কাছে। পাঠ্য বইয়ে ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে আপত্তি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন হেফাজত নেতারা। তারা বিভিন্ন শ্রেণির বই সঙ্গে নিয়ে যান। আপত্তির অংশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

হেফাজত নেতা মাওলানা মীর ইদরীস বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খুব ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা গুরুত্ব সহকারে শুনেছেন।

২০১৮ সালে ৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একই মঞ্চে উঠেছিলেন প্রয়াত হেফাজত আমির আহমদ শফীসহ কেন্দ্রিয় নেতারা। কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমানের স্বীকৃতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনে সেই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।

চট্টগ্রামের জেলার নাগরিক হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীনের (বীর বিক্রম) মাধ্যমে নিজেদের দাবি জানাতো হেফাজত। তবে তিনি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মারা যাওয়ার পর সেই যোগাযোগে ভাটা পড়ে হেফাজতের। এরপর বিভিন্ন সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমেই সরকারের কাছে নিজেদের দাবি উপস্থাপন করেন হেফাজত নেতারা। BT




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD