শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন




জাপানের হাত ধরে যেসব দেশে মেট্রোরেল

আউটলুকবাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ৬:৫৬ pm
Dhaka metro rail formal test run Dhaka Metro Rail ঢাকা মেট্রোরেল মেট্রোরেলের london metro rail লন্ডন মেট্রোরেল
file pic

জাপানের রাজধানী টোকিওতে মেট্রোরেল ব্যবস্থা চালু হয় ১৯২৭ সালে। জনবহুল শহর টোকিওর বাসিন্দাদের যাতায়াতে প্রচুর সময় বাঁচাচ্ছে মেট্রোরেল। একই সঙ্গে বাড়িয়েছে শহরটির অর্থনৈতিক উপযোগিতাও। বিভিন্ন দেশের বড় শহরগুলোর নাগরিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জাপানের নজর থাকে মূলত মেট্রোরেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর। এক্ষেত্রে প্রধানতম অনুঘটক ধরা হয় টোকিও মেট্রোর ইতিবাচক সাফল্যের অভিজ্ঞতাকে।

ওই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বিশ্বের অনেক বড় শহরে মেট্রোরেল নির্মাণে বিনিয়োগ করেছে জাপান। ঢাকায় আজই উদ্বোধন হচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেলের একাংশ। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সিংহভাগ অর্থায়নে নির্মিত প্রকল্পটিতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। উত্তরা-মতিঝিল রুটে নির্মীয়মান মেট্রোরেলের অংশটির (এমআরটি ৬) পুরো কাজ এখনো শেষ হয়নি। এজন্য শুরুতে উত্তরা-আগারগাঁওয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে মেট্রোরেলের চলাচল। এ অংশে মেট্রোরেল চলাচল করবে বিদ্যমান সড়কের ওপর নির্মিত উড়াল সড়কে স্থাপিত রেললাইনে।

ঢাকায় এখন পাতাল মেট্রোরেল স্থাপনের তোড়জোড়ও শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর-বাড্ডা-কমলাপুর অংশে সড়কের নিচ দিয়ে চলাচল করবে মেট্রোরেল। এমআরটি-১ লাইনের অংশ হিসেবে পাতাল রেলপথটির নির্মাণকাজ শুরুর প্রক্রিয়া এখন চলমান রয়েছে। এ লাইনের বাকি অংশ উড়ালপথে। এমআরটি-১ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে জাইকার অর্থায়ন ৩৯ হাজার ৪৫০ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী ভারতেও বড় শহরগুলোয় মেট্রোরেল ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধান সহযোগীর ভূমিকা নিয়েছে জাপান। চলতি বছরেই তামিলনাড়ু রাজ্যের রাজধানী চেন্নাইয়ে মেট্রোরেল প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজ নির্মাণে জাইকা ও ভারত সরকারের মধ্যে একটি ঋণ বিনিয়োগ চুক্তি সই হয়। এটি নির্মাণ শেষ হলে চেন্নাইয়ে বিদ্যমান মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য বাড়বে আরো ৫১ কিলোমিটার। এজন্য জাইকার মাধ্যমে ভারতকে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি ইয়েন (প্রায় ১১১ কোটি ডলার) ঋণ দিচ্ছে টোকিও। চেন্নাই মেট্রোরেলের প্রথম ফেজের নির্মাণকালেও সিংহভাগ অর্থের জোগান দিয়েছিল জাইকা।

ভারতের রাজধানী দিল্লির মেট্রো ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণেও বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে জাইকা। ১৯৯৫ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত দিল্লির পরিবহন খাতে পৃথক ১৬টি প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে সংস্থাটি, যার ১৫টিই মেট্রোরেলকেন্দ্রিক। গত ২০ বছরে কলকাতার মেট্রোরেলভিত্তিক চারটি প্রকল্পে অর্থায়নের অনুমোদন পেয়েছে জাইকা। জাপান মনে করছে, দিল্লির মেট্রো ব্যবস্থায় বিনিয়োগ এরই মধ্যে বড় সাফল্য হিসেবে ধরা দিয়েছে। দেশটিতে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত হিরোশি সুজুকি গত সপ্তাহেই বলেছেন, গত ২০ বছরে দ্রুতগতিতে সম্প্রসারণ হতে হতে মানে ও ব্যাপ্তিতে টোকিওর মেট্রো ব্যবস্থাকেও ছাড়িয়ে গেছে দিল্লির মেট্রোরেল। এছাড়া মুম্বাই, আহমেদাবাদ ও বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহরেও মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ, সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে জাপান।

জাইকার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের ম্যানিলায় দুটি প্রকল্পের আওতায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও উন্নয়নে প্রায় ৩৫ হাজার ৭৮৪ কোটি ইয়েন (বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ২৬৮ কোটি ডলারের বেশি) ঋণ দিয়েছে সংস্থাটি। দুটি ঋণেরই পরিশোধের সময়সীমা ধরা হয়েছে ৪০ বছর। এর অতিরিক্ত গ্রেস পিরিয়ড আছে একটিতে ১৩ বছর, অন্যটিতে ১২ বছর। সুদহার দশমিক ১ শতাংশ।

ভিয়েতনামের রাজধানী হো চি মিন সিটিতে আরবান রেলওয়ে ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অগ্রগামী ভূমিকা রেখেছে জাইকা। ২০০৭ সাল থেকেই শহরটির মেট্রোরেল ব্যবস্থার সঙ্গে জাইকার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে শহরটির মেট্রোরেল ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে গৃহীত নানা প্রকল্পেও অর্থায়ন করেছে সংস্থাটি।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায়ও মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পে সহায়তা রয়েছে জাপানের। এরই মধ্যে সেখানে মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রথম ফেজের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় ফেজেও সাড়ে ২২ লাখ কোটি ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (প্রায় ১৪৪ কোটি ডলার) বিনিয়োগের প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে জাইকার।

এ অঞ্চলে গত কয়েক দশকে জাপানি সহযোগিতায় অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। বাস্তবায়নাধীন ও পাইপলাইনে রয়েছে আরো অনেকগুলো। আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহযোগিতা (ওডিএ) হিসেবে দেয়া এ ঋণের অর্থকে কাজে লাগিয়ে দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ পরিকাঠামোর আকার বড় হয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে জাপানও হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা দাতা দেশ।

শুধু এশিয়া নয়, আফ্রিকার দেশ মিসর ও তিউনিসিয়ায়ও মেট্রোরেল নির্মাণে বড় বিনিয়োগ রয়েছে জাপানের। ইউরোপের বুলগেরিয়ায়ও মেট্রোর সম্প্রসারণ প্রকল্পে জাইকার মাধ্যমে অর্থায়ন করেছে দেশটি।

বাংলাদেশে শুধু মেট্রোরেল নয়, দেশের সার্বিক যোগাযোগ অবকাঠামো খাতেই দ্বিপক্ষীয় সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে জাপানের অবদান সবচেয়ে বেশি। গোটা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবকাঠামোগত বিনিয়োগের দিক থেকে দেশটির অবস্থান শীর্ষে। বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে মোকাবেলা করে চলেছে দেশটি। একই সঙ্গে নিজস্ব অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্যগুলোকেও এর মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করছে জাপান।

স্বাধীনতার পর থেকেই দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী জাপান। মূলত জাইকার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশকে ওডিএ ঋণ বিতরণসহ নানা উন্নয়ন সহযোগিতা করে আসছে টোকিও। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত জাপানের কাছ থেকে ঋণ, অনুদানসহ বিভিন্নভাবে মোট সহায়তা পাওয়া গেছে ২ হাজার ৮৭৮ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। বিদ্যুত্ ও জ্বালানি, পরিবহন, টেলিযোগাযোগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো, পরিবেশ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অন্যান্য খাতে বড় অংকের বিনিয়োগ রয়েছে দেশটির। বিশেষ করে গত এক দশকে বাংলাদেশে দেশটির ওডিএ ঋণ প্রতিশ্রুতির মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে জাইকার বৈশ্বিক ঋণ প্রতিশ্রুতির গন্তব্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। জাইকার মোট বৈশ্বিক ঋণ প্রতিশ্রুতির ২৬ দশমিক ৮ শতাংশেরই গন্তব্য হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ২০২১-২২ অর্থবছরেও দেশটির কাছ থেকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে প্রায় ১৭৩ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীর তুলনায় বেশ শিথিল শর্তেই বাংলাদেশকে ঋণ দেয় জাপান। এসব ঋণের সুদহার কম। আবার পরিশোধের সময়সীমা এবং এর অতিরিক্ত গ্রেস পিরিয়ডও বেশি।

২০১৬ সালে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলায় কয়েকজন জাপানি নাগরিকের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন আজ উদ্বোধন হতে যাওয়া ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ওই ঘটনার পরেও বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে জাপান। দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো ছাড়াও বিদ্যুত্ ও জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য খাতেও বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ রয়েছে টোকিওর। এমনকি কভিড বা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকালীন দুর্বিপাকের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক ধরে রেখেছে দেশটি। এক্ষেত্রে দেশটির সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির বড় অবদান রয়েছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

মেট্রোরেল প্রসঙ্গে ২৬ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘এই প্রথম আমরা বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু করছি। উন্নত বিশ্বের সব জায়গাতেই মেট্রোরেল রয়েছে। আমরাও এখন এর অংশীদার। এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়, আনন্দের বিষয়। এটি সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে বলে। নেতৃত্ব যদি ভালো থাকে তাহলে কাজ হয়। অনেক দিন স্থিতিশীল সরকার থাকলে যে লাভ হয়, এগুলো তারই একটি নমুনা।’

ওই সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমি আশা করি জাপান থেকে অতিথিরা আসবেন। আমাদের এখানে হলি আর্টিজানের ঘটনাটি ঘটল। তাদের অনেক লোক মারা গেল। আমি জাপানকে ধন্যবাদ দিই। এতসব ষড়যন্ত্রের পরেও তারা আমাদের সহযোগিতা করে গেছে। তারা কিন্তু কাজে কোনো গাফিলতি করেনি। কভিডের সময়েও তারা আমাদের সহায়তা দিয়ে গেছে। জাপানকে ধন্যবাদ তারা আমাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে।’

চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলায় গত কয়েক বছরে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে জাপান। বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু থেকে শুরু করে ভিয়েতনামের নাত তান সেতু বা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল থেকে শুরু করে ফিলিপাইনের নিউ বহল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট অথবা কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়ার পাতিম্বন গভীর সমুদ্রবন্দরের মতো দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যোগাযোগ অবকাঠামোর বৃহত্তম মেগা প্রকল্পগুলোর মূল অর্থায়নকারী দেশ জাপান।

ফিচ সলিউশনসের বরাত দিয়ে জাপান টাইমস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় জাপানের অর্থায়নে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, যেখানে চীনের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার কোটি ডলার। একইভাবে দক্ষিণ এশিয়ায়ও বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকার মতো দেশগুলোয় জাপানই বৃহত্তম অর্থায়নকারী দেশ। এখানকার আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক কানেক্টিভিটিতে এখন বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে টোকিও। বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে কানেক্টিভিটিকে কেন্দ্র করে শুধু ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই সড়ক অবকাঠামো খাতে মোট ১৬ হাজার ১০০ কোটি ইয়েন (১৪০ কোটি ডলারের বেশি) বিনিয়োগ করেছে জাপান।

ডোনার ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, ওডিএর আওতায় ২০২১ সালে বিভিন্ন দেশে মোট ১ হাজার ৭৬০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে জাপান। এর মধ্য দিয়ে এশিয়ার সবচেয়ে বড় দাতা দেশের অবস্থান ধরে রেখেছে দেশটি। জাপানে মোট জাতীয় আয়ের (জিএনআই) দশমিক ৩৪ শতাংশ ব্যয় হয় ওডিএ সহায়তা বাবদ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে (এপ্রিল-মার্চ) দেশটির ওডিএ সহায়তা ১০ শতাংশ কমার পূর্বাভাস রয়েছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD