শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৩ অপরাহ্ন




তুরস্কে ভূমিকম্প: লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

আউটলুকবাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ ১২:৩৫ pm
quake Earthquake ভূমিকম্প
file pic

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইতোমধ্যে নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। তুরস্কের স্থানীয় সময় সোমবার ৪টা ১৭ মিনিটে সংগঠিত এ ভূমিকম্পে সিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলেও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তুরস্কের দুর্যোগ সংস্থার প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত ৭৬ জন নিহত ও ৪৪০ জন আহত হয়েছেন।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সিরিয়া সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানেও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দেশটিতে অর্ধশতাধিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা বলেছে, ভূমিকম্পের ফলে আলেপ্পো, হামা ও লাতাকিয়ায় ৪২ জন নিহত এবং ২০০ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়াও তুর্কিপন্থীদের নিয়ন্ত্রিত সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের স্থানীয় একটি হাসপাতাল এএফপিকে জানিয়েছে, আজাজ ও আল-বাব অঞ্চলে আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

সিরিয়ার আতমেহ নামক একটি শহরের চিকিৎসক মুহিব কাদ্দুর টেলিফোনে বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, এই শহরে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আরও অনেককে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন। তিনি বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি মৃতের সংখ্যা শতাধিক। আমরা অনেক চাপের মধ্যে আছি।

সীমান্তের উভয় পাশের একাধিক শহরে বিধ্বস্ত ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নীচে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের সন্ধানে নেমেছেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মী ও বাসিন্দারা। তুরস্কের দিকে এই অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় শহর রয়েছে। এসব এলাকায় লক্ষাধিক সিরীয় শরণার্থীর আবাসস্থল।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান টুইটারে বলেছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। আশা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কম ক্ষতিসহ এই দুর্যোগটি একসাথে কাটিয়ে উঠব।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোয়লু ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে প্রবেশ না করার জন্য বাসিন্দাদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করা আমাদের প্রথম কাজ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এক বিবৃতি অনুযায়ী, পর পর দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে তুরস্কে। প্রথমটি হয়েছে ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে এবং সেটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮; দ্বিতীয়টি ঘটে তার ১৫ মিনিট পর। সেটি মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ খারমানমারাসের গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে ভূপৃষ্ঠের ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্প দু’টির উৎপত্তিস্থল। তুরস্ক ছাড়াও সিরিয়া, লেবানন ও সাইপ্রাসে কম্পন অনুভূত হয়েছে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এএফপি।

পার্শ্ববর্তী দেশ সিরিয়ার সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গাজিয়ানতেপ তুরস্কের অন্যতম শিল্পোৎপাদন কেন্দ্র নামে পরিচিত। এই শহরটি ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু শিল্প কারখানা গড়ে ওঠায় তুরস্কের অন্যতম জনবসতিপূর্ণ শহর এই গাজিয়ানতেপ। সিরিয়ার সীমান্তবর্তী হওয়ায় গাজিয়ানতেপে অনেক সিরীয় শরণার্থীও আছেন।

গাজিয়ানতেপ সীমান্তের অপর প্রান্তে সিরিয়ার আলেপ্পো প্রদেশ। সিরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যমের সংবাদে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের পর প্রদেশের অধিকাংশ ভবন ধসে পড়েছে। ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক হতাহতের আশঙ্কা আছে আলেপ্পোতেও।

ক্ষতিগ্রস্তদের ‘বেস্ট উইশেস’ জানালেন এরদোয়ান

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ‘বেস্ট উইশেস’ লিখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।

স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে তুরস্কে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এক বিবৃতি অনুযায়ী, পর পর দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে তুরস্কে। প্রথমটি হয়েছে ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে এবং সেটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮; দ্বিতীয়টি ঘটে তার ১৫ মিনিট পর। সেটি মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। সিরিয়া, লেবানন এবং সাইপ্রাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় সংবাদ সংস্থা এপির তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা অন্তত ১০০।

ভূমিকম্পের পর টুইটারে এরদোয়ান লেখেন- কাহরামানমারাসে যে ভূমিকম্প হয়েছে, যেটি দেশের অনেক জায়গায় অনুভূত হয়েছে এতে ক্ষতিগ্রস্ত আমার সমস্ত নাগরিককে শুভেচ্ছা জানাই। এএফএডির সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট সব ইউনিট প্রস্তুত রয়েছে।

এত শক্তিশালী ভূমিকম্প বিরল তুরস্কে

ভৌগলিকভাবে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় তুরস্কের অবস্থান হলেও আজ যে ভূমিকম্প দেশটিতে আঘাত হেনেছে, এ ধরনের ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতা নেই দেশটির।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এক বিবৃতি অনুযায়ী, পর পর দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে তুরস্কে। প্রথমটি হয়েছে স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে এবং সেটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮; দ্বিতীয়টি ঘটে তার ১৫ মিনিট পর। সেটি মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭।

ইউএসজিএস বলছে, গত ১০০ বছরেও এত শক্তিশালী ভূমিকম্পের মুখে পড়তে হয়নি তুরস্ককে।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩৯ সালে একই মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

জর্জিয়া টেক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব আর্থ অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক সায়েন্সেস-এর সহকারী অধ্যাপক কার্ল ল্যাং সিএনএনকে বলেছেন, যে সোমবার ভূমিকম্প আঘাত হানা এলাকাটিতে ভূমিকম্পের প্রবণতা রয়েছে।

ল্যাং আরও বলেন, এটি একটি সিসমোজেনিক এলাকা। এখানে বড় একটা ফল্ট জোন রয়েছে। তার সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে আঘাত হানা যেকোনো ভূমিকম্পের চেয়ে আজকের ভূকিম্পটা বড় ছিল।

তিনি আরও বলেন, পৃষ্ঠে যে কম্পনটা অনুভূত হয় সেটা মূলত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে, একটি হলো কতটা শক্তি নিঃসৃত হয়েছে, অর্থাৎ ভূমিকম্পের আকার, আরকটি হলো ভূ-পৃষ্ঠের কতটা গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি। উৎপত্তি যদি পৃষ্ঠের কম গভীরে হয়, তাহলে সেটা খুবই বিপজ্জনক ভূমিকম্প হতে পারে।

তুরস্কে আজ যে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে এ ধরনের ভূমিকম্প বিরল। গোটা বিশ্বে বছরে ৫টিরও কম এ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে।

আরও একটি কারণে আজকের ভূমিকম্প বিরল ছিল। ল্যাং বলছেন, তার কারণ হলো- এটা খুবই শক্তিশালী ভূমিকম্প, আবার ভূ-পৃষ্ঠের খুব কাছাকাছি এর উৎপত্তি।

তুরস্কে ভূমিকম্প অপরিচিত কোনো বিষয় নয়। গত ২৫ বছরে দেশটিতে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রা বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে সাতবার। কিন্তু সোমবারের ভূমিকম্প ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। ২০২১ সালের আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানা ৮ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। সূত্র: সিএনএন।

জরুরি অবস্থা জারি, উদ্ধারে তৎপরতা

৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কের বিভিন্ন শহরে ধসে পড়েছে অসংখ্য ভবন। সেসব ভবনের নিচে আটকে পড়া হতাহতদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা শুরু করেছে দেশটির সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর এএফএডি ও পুলিশবাহিনীর সদস্যরা।

ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা জারির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়ে ‘লেভেল ৪’ সংকেতও জারি করেছে দেশটির সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এক বিবৃতি অনুযায়ী, পর পর দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে তুরস্কে। প্রথমটি হয়েছে ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে এবং সেটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮; দ্বিতীয়টি ঘটে তার ১৫ মিনিট পর। সেটি মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। দুই বারই কম্পন এক মিনিট বা তারও বেশি সময় স্থায়ী হয়েছিল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় খারমানমারাস প্রদেশের গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে ভূপৃষ্ঠের ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্প দু’টির উৎপত্তিস্থল। তুরস্ক ছাড়াও সিরিয়া, লেবানন ও সাইপ্রাসে কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এএফপি।

তুরস্কের সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর এএফএডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খারমানমারাস ছাড়াও দেশটির মালাতিয়া, সানিল, দিয়ারবাকির এবং ওসমানিয়া প্রদেশে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে ব্যাপক হারে।

গাজিয়ানতেপের বাসিন্দা এরদেম রয়টার্সকে বলেন, ‘আমি আমার চল্লিশ বছরের জীবনে এত বড় আকারের ভূমিকম্প দেখিনি।’

তুরস্কেরর টিআরটি ও হাবেরতুর্ক টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে ধসে পড়া ভবনে উদ্ধারকাজ চালানোর বেশ ‍কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সয়লু সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক কাজ হলো উদ্ধার তৎপরতা চালানো এবং সরকারি উদ্ধারকর্মী বাহিনীর সব সদস্য তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সজাগ।’

তুরস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ভরে উঠেছে ভূমিকম্পের ফলে গাজিয়ানতেপসহ বিভিন্ন শহরে ধসে পড়া ভবনের ভিডিওচিত্রে। এসব ভবনের ধ্বংসস্তুপের নিচে বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি হলো তুরস্ক। ১৯৯৯ সালে তুরস্কের দুজকে অঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই দুর্যোগে দেশটিতে মোট নিহতের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজারেরও বেশি। একক শহর হিসেবে ইস্তাম্বুলে নিহতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি— প্রায় ১ হাজার জন।

তারপর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় শহর এলাজিগে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৪০ জন নিহত হন। একই বছর অক্টোবরে এজিয়ান সাগর উপকূলে ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছিল ১১৪ জনে।

কেঁপে উঠেছিল আশপাশের বিভিন্ন দেশও

তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইতোমধ্যে নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এ ভূমিকম্পে সিরিয়ার বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এটি কাছাকাছি লেবানন, গাজা ও সাইপ্রাসেও অনুভূত হয়েছিল।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একজন ছাত্র মোহাম্মদ এল সামা বিবিসিকে বলেন, আমি লিখছিলাম। হঠাৎ করেই পুরো ভবন কাঁপতে শুরু করে।

তিনি বলেন, আমি ঠিক জানালার পাশেই ছিলাম। তাই ভয় পেয়েছিলাম যে জানালা ভেঙে যেতে পারে। এটি চার-পাঁচ মিনিট ধরে চলেছিল এবং বেশ ভয়ঙ্কর ছিল।

গাজা স্ট্রিপের বিবিসি প্রযোজক রুশদি আবুআলোফ বলেন, তিনি বাড়িতে ছিলেন সেখানে প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের মতো কাঁপুনি অনুভব করেছিলেন।

মিসরের কায়রো পর্যন্ত অনুভূত ভূমিকম্পটি সিরিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার (৬০ মাইল) দূরে গাজিয়ানটেপ শহরের উত্তরে কাহরামানমারা প্রদেশের পাজারসিক জেলায় সংগঠিত হয়।

তুরস্কের দুর্যোগ সংস্থার প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত ৭৬ জন নিহত ও ৪৪০ জন আহত হয়েছেন।

সিরিয়াতেও নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে

বিশ্বের সবচেয়ে ভূমীকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি হলো তুরস্ক। ১৯৯৯ সালে তুরস্কের দুজকে অঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই দুর্যোগে দেশটিতে মোট নিহতের সংখ্যা ছিল ১৭ হাজারেরও বেশি। একক শহর হিসেবে ইস্তাম্বুলে নিহতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি— প্রায় ১ হাজার জন।

তারপর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় শহর এলাজিগে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৪০ জন নিহত হন। একই বছর অক্টোবরে এজিয়ান সাগর উপকূলে ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। সেই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছিল ১১৪ জনে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD