শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন




চমেকে ছাত্র নির্যাতনের ঘটনায় ধোঁয়াশা কাটছে না

আউটলুকবাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ ১২:৪৭ am
Chattogram Medical College Hospital CMC CMCH চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চমেক
file pic

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ছাত্রাবাসে চার শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনার দুদিন পার হলেও থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি কেউ। এমনকি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই শিক্ষার্থী কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, বাথরুমে পড়ে এবং চকবাজারে এক্সিডেন্ট করে তারা আহত হয়েছেন। এ অবস্থায় ঘটনা খতিয়ে দেখতে চমেকের অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শনিবার জরুরি সভা থেকে ওই কমিটির কাছে ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রায় এক বছর আগে চমেকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিষ্পত্তির জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন চমেকের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. হাফিজুল ইসলাম।

শিবির সন্দেহে চমেকে ৪ শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের নির্যাতন, আইসিইউতে দুই জন
চমেকের অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার বলেন, ‘ছাত্রাবাসে চার শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন পত্রিকায় যে নিউজ আমরা দেখছি। সেটার সাথে আহত শিক্ষার্থীদের বক্তব্যের মিল নেই। তাদের একজন বলছে, বাথরুমে পড়ে ব্যথা পেয়েছে, অন্যজন বলছে চকবাজারে এক্সিডেন্ট করেছে। যাই হোক বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখব।’

এর আগে গত বুধবার রাতে চমেকের ছাত্রাবাস থেকে তুলে নিয়ে চার শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এরপর বৃহস্পতিবার হল থেকে উদ্ধার করে তাদের চমেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ছাত্রলীগ নেতা অভিজিৎ দাশ বলেন, কাউকে পেটানো হয়নি, তারা শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দু’জনকে ডাকা হয়েছিল। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

নির্যাতনের শিকার চার শিক্ষার্থী হলেন- জাহিদ হোসেন ওয়াকিল, সাকিব হোসেন, এম এ রায়াহান ও মোবাশ্বের হোসেন শুভ্র। শনিবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার দুই ছাত্র জাহিদ ও সাকিব চমেকের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তারা চারজনই এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

শনিবার সন্ধ্যায় অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার বলেন, ‘ওই দুই শিক্ষার্থী আইসিইউতে ভর্তি আছে। তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো। কিন্তু দু-একটি রিপোর্ট বাকি আছে। সেগুলো দেখে তাদের সাধারণ বেডে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এদিকে ঘটনার জের ধরে শনিবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করছে- এমন কথা ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্লাস বর্জনের কোনো ঘটনা নেই এমনটা দাবি করেছেন চমেকের অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার।

চকবাজার থানার ওসি মনজুর কাদের মজুমদার শনিবার দুপুরে বলেন, ‘এ ঘটনার পর এখনো কেউ থানায় অভিযোগ দেননি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে যেন কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখছি। হাসপাতালে ভর্তি থাকা দুজন শিক্ষার্থী আগের চেয়ে সুস্থ আছেন বলে জানতে পেরেছি।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD