শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন




আজ তুরস্কে অগ্নিপরীক্ষায় এরদোয়ান-কেমাল

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩ ১০:০৪ am
Ankara Turkey President Recep Tayyip Erdoğan তুর্কি ইস্তাম্বুল তুরস্ক প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ তাইয়িপ এরদোয়ান এরদোগান এরদোগান
file pic

তুরস্কে আজ দ্বিতীয় দফার ভোটেই নির্ধারিত হতে যাচ্ছে ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান ফের ক্ষমতায় আসছেন, নাকি আমলা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া কেমাল কিলিচদারোগলু প্রথমবারের মতো মসনদে বসছেন।

প্রথম দফার ভোটে কোনো প্রার্থীই ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় আজকের এ ভোটে নির্ধারিত হবে তুরস্কের নতুন প্রেসিডেন্ট, যার দিকে এখন সারা বিশ্বের চোখ। তুরস্কের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় দফায় গড়ানো এ প্রেসিডেন্ট ভোটের আগে দুই প্রার্থীই পরস্পরকে সমালোচনার জালে বিদ্ধ করেছেন। দিয়েছেন নতুন নতুন প্রতিশ্রুতি। তবে প্রথম দফার নির্বাচনে তৃতীয় হওয়া সিনান ওগান প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে সমর্থন দেওয়ায় বর্তমান প্রেসিডেন্টই ফের ক্ষমতায় আসতে পারেন বলে অনেকে মনে করছেন।

আবার প্রথম দফায় ১২ লাখ ভোট পাওয়া ভিক্টোরি পার্টি কেমালকে সমর্থন দেওয়ায় দেখা দিয়েছে টান টান উত্তেজনা। তাই ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হয়ে ওঠা এ নির্বাচনে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা জানতে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

তুরস্কের এবারের জাতীয় নির্বাচনে চরম নাটকীয় পরিস্থিতি দেখা গেছে। দেশটির নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট হতে হলে কোনো প্রার্থীকে ৫০ শতাংশ ভোট পেতে হবে। কিন্তু গত ১৪ মে প্রথম দফার ভোটে কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। তাই নির্বাচন গড়ায় দ্বিতীয় দফায়। প্রথম দফার ভোটে এরদোয়ান ৪৯ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন। কেমাল পেয়েছিলেন ৪৫ শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের ফলে এরদোয়ানের চেয়ে প্রায় ২৫ লাখ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন কেমাল। আর সিনান ওগান ছিলেন তৃতীয় অবস্থানে। তার ঝুলিতে যায় ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ ভোট। এখন দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে সিনান সমর্থন দিয়েছেন এরদোয়ানকে। ফলে সিনান ওগান একজন কিংমেকার হয়ে উঠেছেন। তাই এরদোয়ানের ফের ক্ষমতায় আসাটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে অনেকে মনে করছেন।

তবে তুরস্কে অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত ভিক্টোরি পার্টি প্রথম দফার নির্বাচনে ১২ লাখ ভোট পেয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় দলটি কেমালকে সমর্থন দিয়েছে। এই দলের নেতা উমিত ওজাদাগ বলেন, ক্ষমতায় গেলে ১ কোটি ৩০ লাখ সিরীয় শরণার্থীকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে নিজ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে, এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেমাল। তাই তাকেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা উচিত।

এছাড়া প্রথম দফায় ভোটকেন্দ্রে না যাওয়া প্রায় ৮০ লাখ ভোটারও আজ প্রভাবক হিসেবে কাজ করতে পারেন বলে জানা গেছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD