মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১২:০৮ অপরাহ্ন




বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশাকে ভারত মর্যাদা দেবে, আশা ফখরুলের

আউটলুকবাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জুন, ২০২৪ ৬:৩৬ pm
Mirz-fakhrul Bangladesh Nationalist Party BNP ‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি Mirza Fakhrul Islam Alamgir বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Bangladesh Nationalist Party BNP Mirza Fakhrul Islam Alamgir বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
file pic

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারতের নতুন সরকারের কাছে একটাই আশা করবো, তাদের দেশে যেভাবে জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন এখনও, তাদের নির্বাচন কমিশন এখনও যেভাবে কাজ করতে পারে, তাদের বিচার বিভাগ যেভাবে কাজ করতে পারে, আমরাও ১৯৭১ সালে সেই লক্ষ্যেই মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই আমরা এখানে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তাই আমাদের যেটা প্রত্যাশা, এবার ওদের সরকার বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশা সেটাকে মর্যাদা দেবে, সেভাবেই তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

সোমবার (১০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আধুনিক কৃষি, অভিন্ন নদীর পানি আগ্রাসন এবং জলবায়ুর ভারসাম্যহীনতা রোধে শহীদ জিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে সচেতনভাবে বাংলাদেশকে একটা নতজানু ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। যেটা জিয়াউর রহমান রুখে দিয়েছিলেন ১৯৭৫ সালের পরে, তার মেধা-অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে। সেই ব্যর্থ রাষ্ট্র আবার তারা পরিণত করতে চায়। অনেকে বলবে এত উন্নয়ন করছে, মেগা প্রজেক্ট করছে; কিন্তু এসব মেগা প্রজেক্ট দিয়ে তারা মেগা পাচার করেছে, চুরি করেছে। এই মেগা উন্নয়ন দিয়ে আমাদের গ্রামের মানুষের কী উপকার হয়েছে?

মহাসচিব বলেন, তারা যে বাজেট দিয়েছে এটা সম্পূর্ণ তাদের লুটপাটের বাজেট। ইনফ্লেশন (মূল্যস্ফীতি) আজ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সবকিছু মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বিচার নাই, কোথাও কোনও ব্যবসা করতে গেলে আপনি কোনও সুযোগ পাবেন না। টাকা ছাড়া, ঘুষ ছাড়া কেউ কোনও কথা বলে না। আমাদের নেতা নির্বাচনের যে অধিকার, ভোটের যে অধিকার সেটা তারা (সরকার) কেড়ে নিয়েছে। কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কেউ লিখতে পারে না, কেউ বলতে পারে না। টকশো করতে গেলে যারা উপস্থাপক থাকেন তারা বলে দেয় এসব নিয়ে কথা বলবেন না। কনস্টিটিউশনটাকে তারা কেটে-ছিঁড়ে শেষ করে ফেলেছে। দেশে পুরোপুরি একটা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। এখন আমাদের একটাই লক্ষ্য, যেভাবেই হোক এই ভয়াবহ দানব সরকারকে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠাতা করা।

তিনি বলেন, দেশ গভীর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। একদিকে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক, অন্যদিকে ভৌগোলিক দিক থেকে। তিস্তার পানি নিয়ে বহু খেলা হচ্ছে। ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থেকেও এখন পর্যন্ত তিস্তার পানিচুক্তি করতে পারেনি এই সরকার। অথচ জিয়াউর রহমান তিস্তার পানির জন্য জাতিসংঘ পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়া শুধু ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন না, তিনি ছিলেন দার্শনিক। আমরা কারও সংগ্রাম, কারও অবদানকে ছোট করতে চাই না। জিয়াউর রহমানকে ছোট করা মানে দেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা তাকে বেশি দিন ধরে রাখতে পারিনি, চক্রান্তকারীরা তাকে হত্যা করেছে।

জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, শাহাদত হোসেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান প্রমুখ।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD