ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগে এখন পর্যন্ত কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি বলে জানিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। শনিবার (১০ আগস্ট) এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, এখন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিয়োগের কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তাই এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশ করা থেকে বিরত থাকতে আইন মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।
এর আগে আশফাকুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে খবর প্রচার হয়। এদিকে প্রধান বিচারপতির পদে থেকে পদত্যাগ করেছেন ওবায়দুল হাসান। ছাত্র-জনতার আল্টিমেটামের পর প্রধান বিচারপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। এর আগে তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে কথা বলে পদত্যাগের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আরও ২ বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন। তারা হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন। শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে তারা পদত্যাগ করেন।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভের মুখে প্রধান বিচারপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ওবায়দুল হাসান। পদত্যাগ পত্রে তিনি লিখেছেন, ‘সুপ্রিমকার্ট বিল্ডিং এবং এর রেকর্ডসমূহ রক্ষা, কোর্ট প্রাঙ্গণ রক্ষা, বিচারপতিদের বাড়িঘর, জাজেজ টাওয়ার রক্ষা, বিচারপতিগণকে শারীরিক হেনস্থা থেকে রক্ষা করা এবং জেলা জজ কোর্টগুলো ও রেকর্ড রুমসমূহ রক্ষার স্বার্থে আমাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হলো।’
এদিকে আজ সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্যদের পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন। পরে বিপুল শিক্ষার্থী সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এসে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে তারা প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়া শুরু করেন।