আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। বুধবার (২০ নভেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ত্রয়োদশ বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, কিছু কিছু অপরাধেরস্থল আগে ঠিক করা ছিল শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। এখন দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জুরিসডিকশন ভুক্ত কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সেগুলোও নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে আমলে নেয়া যাবে।
তিনি বলেন, আদালত চাইলে রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষণের জন্য অডিও-ভিডিও ধারণ করতে পারেন। তবে এগুলো বাইরে সম্প্রচার করা হবে না। ইন্টারলোকিউটরি আপিল অর্থাৎ মামলার প্রসিডিং চলাকালে কোনো একটি পয়েন্ট কিংবা ছোট অর্ডারের বিপক্ষে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ইন্টারলোকিউটরি আপিল করতে পারবেন। ৩০ দিনের মধ্যে সেটি নিষ্পত্তি করতে হবে। অন্তত ২০টি সংশোধনী আছে। বিদেশ থেকে পর্যবেক্ষক আনার বিষয়টি আগের আইনে ছিল না। এটি নতুন আইনে সংযোজন করা হয়েছে। বিদেশি আইনজ্ঞ আনার সুযোগ থাকবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০; যেটি ২০২১ সালেও সংশোধিত হয়েছিল; সেটি রহিত করার প্রস্তাব ছিল। সেটিও গৃহীত হয়েছে।
প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর তারিখে ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’ এবং ‘জাতীয় প্রবাসী দিবস’ একসঙ্গে উদ্যাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রম পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন পয়েন্টে গলার কাটার মতো কিছু কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা। যাদের কারণে আশপাশের ভালোভাবে চলা কোম্পানিগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে কথা হয়েছে।