রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন




ভাঙা হচ্ছে কমলাপুর স্টেশন, হবে মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫ ৪:২০ pm
Kamalapur Railway Station Komolapur Railway Station Railway Station Kamalapur Railway কমলাপুর স্টেশন কমলাপুর রেল স্টেশন ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের জংশন রেল স্টেশন রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন স্টেশন রেলস্টেশন রেলওয়ে স্টেশন kamalapur railway station kamalapur-railway-station রেল স্টেশন train রেললাইন রেল লাইন rail railways রেলমন্ত্রী train Rail Railway Setu Bridge রেলওয়ে সেতু রেল ট্রেন train duel platform railway train
file pic

ঢাকার কমলাপুরে দেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এখানে হবে ‘মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব’।

বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, এই মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব হাইস্পিড ট্রেন, মেট্রোরেল, পাতাল রেল এবং এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করবে। এখান থেকে রাজধানীর যে কোনো প্রান্তে যাওয়া যাবে।

‘মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব’ ঘিরে থাকবে হোটেল, বিনোদন কেন্দ্রসহ নানা বাণিজ্যিক স্থাপনা। জাপানের কাজিমা করপোরেশন এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। একই সংস্থা বিমানবন্দর স্টেশনকেও ‘মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব’-এ রূপান্তরের দায়িত্ব পেয়েছে।

কমলাপুর স্টেশনের আন্ডারগ্রাউন্ডে ট্রেন থাকবে। এছাড়া বহুতল ভবনে নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকবে। একজন যাত্রী সহজেই এখান থেকে দেশের নানা প্রান্তে যাতায়াত করতে পারবে। এছাড়া মেট্রোরেল, বাস, ট্রেনসহ নানা ধরনের পরিবহন পাবেন যাত্রীরা।

সড়কে চাপ কমিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধে ‘গ্রিন রেলওয়ের’ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ‘গ্রিন রেলওয়ে পরিবহন প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা প্রকল্পে’ মোট ব্যয় ধরা হবে ৯৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা এবং বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প ঋণ ৬৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কমলাপুর রেলস্টেশন ভেঙে নতুন ছক কষছে সরকার।

প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) চলতি মাসে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান বলেন, গ্রিন রেলপথ নির্মাণে প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা মূলত সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) করবো। পরামর্শকেরা মূল কাজ বাস্তবায়ন করবেন। তাদের সুপারিশে ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

মাসউদুর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কমলাপুর রোলিং স্টক রিলোকেশন হবে। এছাড়া কমলাপুর স্টেশনের বিল্ডিং সরে যাবে। এমন একটা বিল্ডিং হবে যেখানে গ্রাউন্ডে রেলওয়ে হবে। কমার্সিয়াল ফ্যাসিলিটি থাকবে। জাপানিজ কোম্পানি এটা করবে। ডিজেল ওয়ার্কশপ ঢাকার বাইরে যাবে। রেললাইন রিলোকেট হবে। এছাড়া বিমানবন্দর স্টেশনে মাল্টিমিডিয়া হাব হবে। রেললাইনের ওপরে ভবন হবে। এছাড়া একটা বে টার্মিনাল হবে। আলাদা প্রকল্প নেয়া হবে। পাইলট হিসেবে নারায়ণগঞ্জ, জয়দেবপুর ও ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুট ইলেকট্রিক হবে। কমলাপুর মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব হবে। এখান থেকে ইন্ট্রিগ্রেডেট ট্রান্সপোর্ট সুবিধা মিলবে।

কমলাপুরের আগে দেশের প্রধান স্টেশন ছিল ফুলবাড়িয়ায়। ঢাকার উত্তর-দক্ষিণের যোগাযোগে বাধা ছিল ১৮৮৫ সালে নির্মিত ছোট্ট ওই স্টেশনটি। ১৯৫৮ সালে স্টেশনটি কমলাপুরে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। দুই মার্কিন স্থপতি ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম ও বব বুই সিডনির বিখ্যাত অপেরা হাউস এবং গ্রাম-বাংলার কুঁড়েঘরের মিশেলে কমলাপুর স্টেশনের নকশা করেন। ১০ বছর পর ১৯৬৮ সালে চালু হয় কমলাপুর স্টেশন। শুধু ছাদ আর চারদিকে খোলামেলা- এ সাদাসিধে নকশাই কমলাপুরকে অনন্য করে তোলে। জাগো নিউজ




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD