পুলিশের হাতে কোনো মারণাস্ত্র থাকবে না, থাকবে শুধু এপিবিএনের কাছে। এছাড়া র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয় (র্যাব) পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া গরু ছিনতাই রোধে ইজারাদারকে ১০০ আনসার মোতায়েন করতে হবে।
সোমবার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুলিশের হাতে যাতে আর কোনো মারণাস্ত্র না থাকে। এগুলো তাদের জমা দিতে হবে। কোনো মারণাস্ত্র পুলিশের হাতে থাকবে না। অস্ত্র থাকবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সদস্যদের হাতে। তাদের কাজ কিন্তু অন্য পুলিশের থেকে একটু ভিন্ন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ঈদকে সামনে রেখে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে। এছাড়া সম্প্রতি ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের মাধ্যমে পুশ-ইন হওয়াদের মধ্যে বেশিরভাগই বাংলাদেশি।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ঈদের আগেই পরিশোধ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম।