রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:২০ পূর্বাহ্ন




কেন ডুবছে পুঁজিবাজার

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ৮:৩৮ pm
শেয়ার বাজার শেয়ারবাজার শেয়ারবাজার dse ডিএসই Share point সূচক অর্থনীতি economic দরপতন dse ডিএসই শেয়ারবাজার দর পতন পুঁজিবাজার CSE BSEC share market DSE CSE BSEC sharemarket
file pic

টানা দরপতনে ডুবতে বসেছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। লেনদেন শুরু হলেই পড়ছে সূচক। ক্ষোভে-হতাশায় ফের রাস্তায় নেমেছেন বিনিয়োগকারীরা। টানা সাত দিনের পতনে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন সোমবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৯ দশমিক ১৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৬০ দশমিক ৭৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এই সূচক গত সাড়ে চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে এর চেয়ে কম সূচক ছিল গত ৩০ জুন; ওইদিন ডিএসইক্স ছিল ৪ হাজার ৮৩৮ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট।

গত ৩০ অক্টোবরের পর থেকে এই সূচকটি টানা পড়ছে; ওইদিন সূচকটির অবস্থান ছিল ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে। হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, সাত কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমেছে ২৬১ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট।

একই হাল অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। টানা সাত কার্যদিবস কমে সোমবার সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪০ দশমিক ১৯ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৭৪৩ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে নেমেছে।

বাজারের এই দশার জন্য তিনটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, প্রধানত তিনটি কারণে দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো- ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা। এছাড়া, সম্প্রতি গেজেট আকারে প্রকাশিত মার্জিন ঋণ বিধিমালা প্রক্রিয়া জটিল হওয়া এবং একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের শূন্য দাম ঘোষণার পর লেনদেন স্থগিত রাখা।

সবাই প্রত্যাশা করেছিল ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর ঘুরে দাাঁড়াবে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার; তেমন লক্ষণও দেখা দিয়েছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। পরের দিন ৬ আগস্ট ডিএসইএক্স প্রায় ২০০ পয়েন্ট বাড়ে; শতাংশ হিসাবে বাড়ে ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। লেনদেনও বাড়তে থাকে।

ডিএসইর পাশাপাশি আরেক পুঁজিবাজার সিএসইতেও চাঙাভাবে ফিরে আসে। ছুটতে থাকে দুই বাজার।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মাত্র চার কার্যদিবসে ডিএসইএক্স প্রায় ৮০০ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ওই সময় লেনদেনও বেড়ে ২ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছিল।

এর পর শুরু হয় পতন; মূল্যসূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কমতে থাকে। পড়তে পড়তে মে মাসের শেষের দিকে ডিএসইতে লেনদেন কমে ২৫০ কোটি টাকায় নেমে আসে; আর সূচক ১ হাজার ২০০ পয়েন্টের বেশি কমে ৪ হাজার ৭৮৫ পয়েন্টে নামে।

এর পর মাঝে-মধ্যে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিলেও শেষ অবধি পতনের ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। উল্টো অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

পুঁজিবাজারের লেনদেন কমে গেলে বিনিয়োগকারীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে শুরু করে ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ বাজারের অংশীজনেরাও বড় লোকসানের মুখে পড়েন।

২০১০ সালের বড় ধসের পর থেকে পুঁজিবাজারের এমন পরিস্থিতিই চলছে। মাঝেমধ্যে অবশ্য কিছুটা উত্থান দেখা গেলেও সেটি স্থায়ী হয় না। যার কারণে হঠাৎ হঠাৎ আশার ঝিলিক দেখা গেলেও আবার হতাশার মুখোমুখি হতে হয় বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।

পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা ও লেনদেন স্থগিতের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর মতিঝিলে ডিএসই ভবনের সামনে মানববন্ধন করেছেন ছোট বিনিয়োগারীরা।
পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা ও লেনদেন স্থগিতের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর মতিঝিলে ডিএসই ভবনের সামনে মানববন্ধন করেছেন ছোট বিনিয়োগারীরা।
বাজার অংশীজন থেকে শুরু করে বিনিয়োগকারী সবারই এখন একটাই বক্তব্য, কেউ ভালো নেই। কারণ, শেয়ারের অব্যাহত দরপতনে সবাই বড় অঙ্কের পুঁজি হারিয়েছেন। বাজার অংশীজনেরা বলছেন, সরকার বদলের পর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির নেতৃত্বের বদল হলেও বাজারে কোনও আশার আলো দেখা যায়নি।

বিদ্যমান সঙ্কটেরও যেন কোনও সমাধান নেই। যে কারণে বাজার কেবলই দরপতনের একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে হতাশা বাড়ছে সর্বমহলে।

এমন পরিস্থিতিতে গত ৫ নভেম্বর (বুধবার) এক সংবাদ সম্মেলনে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ারের শূন্য দাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

তিনি জানান, ব্যাংকগুলোর বর্তমান যে আর্থিক পরিস্থিতি, তাতে শেয়ারধারীরা অর্থ পাবেন না।

গভর্নর বলেন, “পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির মূল্য এখন শূন্যের নিচে। ফলে শেয়ারগুলোর ভ্যালু জিরো হিসাবে বিবেচিত হবে। কাউকে কোনও ধরনের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না।”

গভর্নরের এই ঘোষণার পর থেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) লেনদেন শুরুর আগেই এই ব্যাংক পাঁচটির লেনদেন স্থগিতের কথা জানায় বিএসইসি।

যদিও শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএসইসি বেশ বিলম্ব করেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে যখন এসব ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তখন বিএসইসি ব্যাংকগুলোর লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিলে নতুন করে কোনও বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতেন না।

এমনিতেই টানা দরপতনে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা ও লেনদেন স্থগিত করায় তা নিয়েও উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গেছে।

সব মিলিয়ে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে; ফের রাস্তায় নেমেছেন ছোট বিনিয়োগকারীরা। পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা ও লেনদেন স্থগিতের প্রতিবাদে ৬ নভেম্বর মতিঝিলে ডিএসই ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন ছোট বিনিয়োগারীরা।

মানববন্ধন থেকে ১১ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ২টায় পাঁচ ব্যাংকের বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীদের নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

অবশ্য একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের শূন্য দাম নিয়ে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। বিষয়টি সরকার দেখবে বলেও রবিবার ৯ নভেম্বর সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান অর্থ উপদেষ্টা।

বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউস মালিকদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিএসইসির উচিত ছিল যখন এই পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তখন শেয়ারবাজারে এগুলোর লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা; কিন্তু সেটি করা হয়নি। ফলে ব্যাংকগুলোর শেয়ারের ক্রমাগত দরপতন হয়েছে, যার প্রভাব অন্যান্য শেয়ারের ওপর পড়ছে।”

তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে তিনটি ইস্যু বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের অস্বস্তিতে ফেলেছে। এগুলো হলো– নতুন মার্জিন বিধিমালা, পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ এবং জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অস্থিরতা। এর মধ্যে মার্জিন বিধিমালা ইস্যুটির সমাধান হয়েছে বৃহস্পতিবার গেজেটের মধ্য দিয়ে। বিদ্যমান অবস্থা থেকে নতুন ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।

“কিন্তু পাঁচ ইসলামী ব্যাংক যেভাবে একীভূত করা হচ্ছে, তা কোনও বিনিয়োগকারী ভালোভাবে নেয়নি। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আরও উদ্বেগের কারণ হলো– শুধু এই পাঁচ ব্যাংকই নয়, আরও অনেকগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায়। শোনা যাচ্ছে, এর অনেকগুলো অবসায়ন বা একীভূত হবে। এই ভয়ে অনেকে শেয়ার বিক্রি করছেন। শেয়ার বিক্রি হলে সূচকের পতন হয়। এভাবে ভীতি পুরো বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে।”

“এর মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্থিরতা বিদেশি এবং দেশীয় বড় বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে” মন্তব্য করে সাইফুল ইসলাম বলেন, “বড় বিনিয়োগকারীরা অনিশ্চিত পরিস্থিতি পছন্দ করেন না, তারা হাত গুটিয়ে রাখেন। ফলে ক্রয় চাহিদা কমে এবং ক্ষেত্রবিশেষ বিক্রির চাপ বাড়ে, যা দর পতনকে উস্কে দেয়।”

“এখন বাজারে সেটাই হচ্ছে,” বলেন সাইফুল ইসলাম।

সোমবারের বাজার পরিস্থিতি

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার ডিএসইতে মোট ৩৮৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির; কমেছে ২৭৫টির। অপরিবর্তিত ছিল ৪১টির দর। দরপতন হওয়া সিকিউরিটিজগুলোর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটেগরির ১৪৪টি, ‘বি’ ক্যাটেগরির ৫২টি এবং ‘জেড’ ক্যাটেগরির ৭৯টি শেয়ার ও ইউনিট রয়েছে।

অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৯ পয়েন্টে বা প্রায় ১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮৬১ পয়েন্টে নেমেছে। গত ৩০ অক্টোবরের পর থেকে এই সূচকটি টানা পয়েন্ট হারাচ্ছে। ওইদিন সূচকটির অবস্থান ছিল ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে। অর্থাৎ মাত্র ৭ কার্যদিবসে সূচকটি কমেছে ২৬১ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট।

সপ্তাহের প্রথম দিন রবিবার লেনদেন শেষে সূচকটির অবস্থান ছিল ৪ হাজার ৯০০ পয়েন্টে।

অন্য সূচকগুলোর মধ্যে সোমবার ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস দিনের ব্যবধানে ১২ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ১১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। রবিবার সূচকটির অবস্থান ছিল ১ হাজার ২৩ পয়েন্টে।

আর ডিএসইর বাছাই করা ৩০ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৯ পয়েন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯১০ পয়েন্টে নেমেছে।

ডিএসইতে সোমবার আগের কার্যদিবসের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৪৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এদিন মোট ৩৫৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকার সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়েছে। এই লেনদেন ১৩ কার্যদিবস বা গত ২২ অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন, ওইদিন ৩৫৫ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।

রবিবার এই বাজারে ৪০২ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল।

দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সোমবার বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। এতে এই বাজারের সব মূল্যসূচক পয়েন্ট হারিয়েছে। পাশাপাশি এদিন সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে।

সিএসইতে সোমবার মোট ১৭৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টির দর বেড়েছে এবং কমেছে ১২৭টির। আর ৯টির দর দিন শেষে অপরিবর্তিত ছিল।

অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন হওয়ায় সিএসইর সার্বিক সূচক সিএসপিআই সোমবার ১৪০ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৭৪৩ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। আর সিএসসিএক্স সূচকটি ৭৫ পয়েন্ট কমে ৮ হাজার ৫০৫ পয়েন্টে নেমেছে। এছাড়া, সিএসই ৫০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬০ পয়েন্টে, সিএসই ৩০ সূচক ৭৫ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৩২৭ পয়েন্টে এবং সিএসআই সূচক ৮ পয়েন্ট কমে ৮৬২ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। সোমবার সিএসইতে ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। রবিবার লেনদেনের অঙ্ক ছিল ২২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। সকাল সন্ধ্যা




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD