রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:১১ পূর্বাহ্ন




সংসদ নির্বাচন ৮ থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারির যেকোনো দিন

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৯:৩৭ pm
ব্যালট বাক্স CEC election commission cec ec vote election Electronic Voting Machines evm ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ইভিএম নির্বাচন কমিশন ইসি সিইসি সিইসি ইসি ইভিএম ভোট নির্বাচন জনপ্রতিনিধি ভোটার ভোটগ্রহণ সিইসি রিটার্নিং অফিসার vote ভোট
file pic

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য দিনক্ষণের কথা জানালেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, আগামী বছরের ৮ থেকে ১০ই ফেব্রুয়ারি যেকোনো দিন অনুষ্ঠিত হবে ভোট। একই সঙ্গে ৮ থেকে ১১ই ডিসেম্বর যেকোনো একদিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এ নিয়ে আগামী ৭ই ডিসেম্বর কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছেন এই নির্বাচন কমিশনার।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ রোববার এবং ১২ তারিখ বৃহস্পতিবার। সে হিসেবে মঙ্গলবারের (১০ ফেব্রুয়ারি) দিকে সংসদ নির্বাচন হতে পারে।

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হবে এ প্রশ্নের জবাবে ইসি আনোয়ারুল বলেন, ফেব্রুয়ারির সেকেন্ড উইক। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও অসুবিধা নেই। এক্ষেত্রে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুদিন পরে কিংবা ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এক-দুদিন আগেও হতে পারে। অর্থাৎ মাঝামাঝি কোনো সময় হতে পারে।

এদিকে, তফসিল ঘোষণা ও ভোটের তারিখ নিয়ে আগামী রোববার (৭ ডিসেম্বর) কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই সব তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে দু-তিন দিন সময় রেখে বা বৃহস্পতিবারের (১১ ডিসেম্বর) দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

অন্যদিকে ভোটগ্রহণের সময়ও বাড়ানোর কথা ভাবছে ইসি। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, যেহেতু গণভোট ও সংসদ নির্বাচন এক দিনে হবে, তাই গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। আবার ভোটের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে নয় ঘণ্টা করা হতে পারে। এজন্য সকাল-বিকেলে দুদিকেই সময় বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। এখন সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়, সেটা সাড়ে ৭টা হতে পারে। আবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট হয়, সেটা সাড়ে ৪টা করার কথা ভাবা হচ্ছে।

সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেই শুরু থেকে সব প্রস্তুতি নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সরকার থেকে গণভোটের ঘোষণা আসায় অতিরিক্ত ব্যালট পেপার, অতিরিক্ত গোপন কক্ষ (ভোট দানের কক্ষ), বাজেট বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিতে হয়েছে ভোট আয়োজনকারী সাংবিধানিক এ সংস্থাটিকে। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইন-বিধি সংশোধন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, অধিকাংশ ছাপার কাজ শেষ করছে। অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপও শেষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের সব বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক শেষ করেছে। এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD