রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন




ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমের বেতন গ্রেড ও ছুটি নির্ধারণ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ ৪:৫১ pm
Audio অডিও masjid masazid maszid islam azan dua doa ajan আজান দোয়া আযান মাসজিদ মাসাজিদ ইসলাম phone silent ringing ring tone ring sound made telephone incoming call bells alerting bell তিলাওয়াত জিকির মোবাইল কোরআন তেলাওয়াত আজান দোয়া বাজানো মোবাইল রিংটোন
file pic

নতুন মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা করলো সরকার। নতুন নীতিমালায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তারা কতদিন ছুটি কাটাবেন- সেটাও রয়েছে নীতিমালায়।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। ২০০৬ সালের নীতিমালা যুগোপযোগী করে নতুন নীতিমালা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

ধর্ম মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ নীতিমালা প্রণয়নে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি কাজ করেছে। এটি চূড়ান্ত করার আগে দেশের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা ও ইমাম-খতিবদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা করেছে এ কমিটি। ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এসব মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ নীতিমালায় দেশের মসজিদগুলোর খতিব ছাড়া অন্যান্য জনবলের গ্রেডভিত্তিক বেতনকাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবের বেতন নির্ধারিত হবে চুক্তিপত্রের শর্তানুসারে। তবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং পাঞ্জেগানা মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুসারে বেতন-ভাতাদি নির্ধারণের জন্য বলা হয়েছে।

নীতিমালায় সিনিয়র পেশ ইমামকে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী পঞ্চম, পেশ ইমামকে ষষ্ঠ ও ইমামকে নবম গ্রেডে বেতন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। প্রধান মুয়াজ্জিনকে দশম, মুয়াজ্জিনকে ১১তম, প্রধান খাদিমকে ১৫তম ও খাদিমকে ১৬তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মসজিদে কর্মরত জনবলের প্রয়োজন বিবেচনায় সামর্থ্য অনুসারে সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ কল্যাণের স্বার্থে মাসিক সঞ্চয়ের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া চাকরি শেষে এককালীন সম্মানী প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিদের ছুটি সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে এই নীতিমালায়। কমিটির অনুমোদনক্রমে প্রতিমাসে সর্বোচ্চ চারদিন সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিরা। এছাড়া পঞ্জিকাবর্ষে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ও প্রতি ১২ দিনে একদিন অর্জিত ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।

নীতিমালা অনুসারে মসজিদের কোনো পদে নিয়োগের জন্য সাত সদস্যবিশিষ্ট বাছাই কমিটি থাকবে। এ কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো পদে সরাসরি নিয়োগ করা যাবে না। এছাড়া মসজিদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন-ভাতা, দায়িত্বাবলীসহ চাকরি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় উল্লেখ করে নিয়োগপত্র প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

নীতিমালায় মসজিদে নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য মসজিদে শরিয়তসম্মতভাবে পৃথক নামাজের কক্ষ বা স্থান ব্যবস্থা রাখার বিষয়ে কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির কলেবর বৃদ্ধি করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছে। তবে মসজিদের আয়, আয়তন ও অবস্থান বিবেচনায় এ কমিটির সদস্য সংখ্যা কম-বেশি করার বিধান রাখা হয়েছে।

চাকরির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার কিংবা সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল কর্মরত যে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি। এছাড়া নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো জটিলতা দেখা দিলে তা নিরসনের জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটিও রয়েছে এ নীতিমালায়।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD