রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন




বিমানের ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট: ভাড়া সাশ্রয় হবে ৩০ হাজার টাকা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ ৭:৩৬ pm
এয়ারপোর্ট HSIA CAAB hazrat shahjalal international airport dhaka biman হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর Hazrat Shahjalal International Airport Flight International biman bangladesh airline বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ার লাইন্স শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমান বন্দর এয়ারলাইনস এয়ার লাইনস ফ্লাইট বিমান hazrat shahjalal international airport dhaka biman হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর Hazrat Shahjalal International Airport Flight International biman bangladesh airline বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ার লাইন্স শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমান বন্দর এয়ারলাইনস এয়ার লাইনস ফ্লাইট biman logo biman
file pic

এক দশকেরও বেশি সময় পর আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এতে যাত্রীদের সময় ও ভাড়া সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হবে।

বিমান এই রুটে একমুখী টিকিটের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করেছে ৩০ হাজার ৮৯৯ টাকা। রাউন্ড ট্রিপ টিকিটের মূল্য ৫৬ হাজার ৯০৩ টাকা থেকে শুরু। এয়ারলাইন্স সূত্র জানিয়েছে, এটি বিদ্যমান ট্রানজিট খরচের তুলনায় বড় ধরনের সাশ্রয়।

একাধিক ট্রাভেল এজেন্সি জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন হাব হয়ে ইকোনমি ক্লাসে ফিরতি টিকিটের দাম পড়ছে ৮৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। আসন সংকট এবং বিদেশি এয়ারলাইন্সের ওপর নির্ভরতার কারণে ভাড়া বেড়েছে।

ইনোগ্লোব ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলের সিইও এবং ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) পরিচালক মো. তসলিম আমিন জানান, পাকিস্তানে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের দুবাই, দোহা বা শারজার মতো শহর হয়ে ট্রানজিট যাত্রা করতে হয়েছে। এতে যাত্রার সময় ও ব্যয় দুটিই বেড়েছে।

তিনি আরো বলেন, সাধারণত ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইটে সময় লাগে চার থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা। কিন্তু বর্তমানে যাত্রীদের গড়ে সাড়ে ৮ ঘণ্টা থেকে ১৩ ঘণ্টা সময় লাগছে, কখনো কখনো ট্রানজিট সূচির কারণে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে।

ট্রাভেল এজেন্টদের মতে, বিমানের সরাসরি সেবাদান চালু হলে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য এয়ারলাইন্স এই রুটে বিমান পরিচালনা করলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে। এতে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

বিমান কর্মকর্তারা জানান, পুনরায় চালু হওয়া ঢাকা-করাচি রুটটি প্রাথমিকভাবে ‘কৌশলগত পর্যবেক্ষণ’ হিসেবে পরিচালিত হবে। ফ্লাইটগুলো ২৯ জানুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ট্রায়াল ভিত্তিতে চলবে।

বিমানের বিপণন ও বিক্রয় পরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভালো সাড়া পাচ্ছি। ঢাকা-করাচি প্রথম ফ্লাইটের ৮০ শতাংশের বেশি টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।’

দুই মাসের পরীক্ষামূলক সময়ে যাত্রী চাহিদা, লোড ফ্যাক্টর এবং সামগ্রিক বাণিজ্যিক কার্যকারিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এসব মূল্যায়নের ভিত্তিতেই রুটটি স্থায়ী করা হবে কি না এবং ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ ২০১২ সালে বিমান এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করেছিল। তবে, যাত্রী সংকট ও লোকসানের কারণে সে সময় সেবা বন্ধ করা হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, আগের অভিজ্ঞতা থেকেই এবার সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন— বৃহস্পতিবার ও শনিবার ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। ঢাকা থেকে রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময়) ফ্লাইট ছেড়ে রাত ১১টায় করাচিতে পৌঁছাবে। করাচি থেকে রাত ১২টায় ফ্লাইট ছেড়ে পরদিন ভোর ৪টা ২০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।

বিমানের জনসংযোগ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার বুশরা ইসলাম বলেন, যাত্রীদের সুবিধা বিবেচনায় এমন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে ট্রানজিট বিঘ্ন ছাড়াই কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়।

তিনি আরো বলেন, এই সরাসরি সংযোগ যাত্রীদের ভ্রমণ সহজ করবে এবং পর্যটন ও ব্যবসায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

পুনরায় ফ্লাইট চালুর আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষের মধ্যে কয়েক মাসের কূটনৈতিক ও কারিগরি বিষয়ে আলোচনার পর আকাশপথ ব্যবহারের অনুমোদন এবং সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর জন্য নিয়ন্ত্রক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-করাচি রুট পুনরায় চালু হওয়াকে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এ রুট চামড়া রপ্তানি, কৃষি বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পারিবারিক ভ্রমণ, ধর্মীয় পর্যটন ও চিকিৎসা ভ্রমণও সহজ হবে, যা এতদিন উচ্চ ভাড়া ও দীর্ঘ যাত্রার কারণে সীমিত ছিল। বাসস




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD