নিয়মিত ওপেনার তামিম ইকবাল নেই। জ্বরে দলের সঙ্গী হতে পারেননি লিটন দাসও। এশিয়া কাপ থেকেই ছিটতে গেছেন। সব মিলিয়ে ওপেনিং পজিশনের হ-য-ব-র-ল অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে ব্যাটিং অর্ডার কেমন হবে সেটি জানতে চাওয়া হয়েছিল অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কাছে। কিন্তু নিজেদের পরিকল্পনা কোনোভাবেই ফাঁস করলেন না এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার।
লিটনের বদলে এনামুল হক বিজয় বুধবার দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। দুই বাঁহাতি নাঈম শেখ ও তানজিদ হাসান তামিম আছেন কেবল ওপেনিং পজিশনের জন্য। তাছাড়া তিন নম্বরে খেলা নাজমুল হোসেন শান্তরও ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করার অভিজ্ঞতা আছে। এই অবস্থায় শান্তকে ওপেনিংয়ে পাঠিয়ে সাকিবের তিন নম্বরে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নই করা হয়েছিল।
অবশ্য চলতি বছর কোনও ওয়ানডেতেই সাকিব তিন নম্বরে ব্যাটিং করেননি। সবশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে তিনে ব্যাটিং করেছেন ভারতের বিপক্ষে। এই বছর সব ওয়ানডেতে তিনে নেমেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তারপরও নিজের ব্যাটিং পজিশনসহ অন্যদের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে রহস্য রেখে উত্তর দিয়েছেন সাকিব, ‘এখন আসলে যদি পরিকল্পনা থাকে সেটা আপনাকে বলতে পারবো না। এই হচ্ছে কথা। অবশ্য আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে, ব্যাকআপ ক্রিকেটার যারা আছে তাদের দেখার একটি সুযোগ। নতুন যারা আসবে তাদের জন্য একটা সুযোগ ভালো কিছু করার।’
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সাকিব দুই দলের জন্যই সমান সুযোগ দেখছেন, ‘আমার মনে হয় দুই দলই একই অবস্থায় আছে। যারা মাঠে ভালো খেলবে তারা জিতবে। দুই দলেরই শক্তি, দুর্বলতা একইরকম। তাই দুই দলের জন্যই সমান সুযোগ আসলে।’
ইনজুরির কারণে হাসারাঙ্গা, দুশমান্থা চামিরাসহ সামনের সারির বেশ কয়েকজন বোলার ছিটকে গেছেন। বোলিং আক্রমণে তাই কিছুটা শক্তি হারিয়েছে স্বাগতিকরা। তাই দুই দলের লড়াইয়ের আগে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে এগিয়ে রাখলেন সাকিব, ‘অভিজ্ঞতার দিক (শ্রীলঙ্কান বোলিং থেকে) থেকে অবশ্যই হ্যাঁ (এগিয়ে)। আমি যেটা বললাম, শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে যারা এলপিএলে ভালো করেছে তারাই দলে এসেছে। কাউকে ছোট করার কিছু নেই।