ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্র ‘সমুদ্র আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এক বিবৃতিতে সেন্টকম কমান্ডার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো হামলায় সহায়তা করার অভিযোগে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, এই দেশগুলো তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়ে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘর্ষের পাশাপাশি এবার নতুন কৌশল হিসেবে নৌ অবরোধে ঝুঁকেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানি বন্দর থেকে প্রবেশ ও বহির্গমনকারী জাহাজের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। তবে
ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে দেশটির সব বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সোমবার থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বৃদ্ধি
পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত আলোচনা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করার কথা চিন্তা করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন
পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানকে কাবু করতে হরমুজ অবরোধের পথ বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১২ এপ্রিল) শুরুতে হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এবার হরমুজ প্রণালি ‘অবরোধ’ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মার্কিন নৌবাহিনী অবিলম্বে এই
ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাই বলেছেন, হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণভাবে তেহরানের নিয়ন্ত্রণে আছে। এ জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য অবশ্যই ইরানি মুদ্রায় (রিয়াল) টোল দিতে হবে। বাবাই এর এই বক্তব্যটি
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতির প্রত্যাশা না থাকলেও আশা জাগানিয়া কিছু বিষয় রয়েছে। এই নিবন্ধটি লেখার সময় পর্যন্ত উভয় পক্ষ লিখিত খসড়া বা টেক্সট বিনিময় করেছে এবং আলোচনার এই
দুই পক্ষই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার দাবি করে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিল। তাই শুরু থেকেই এই সংলাপে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো বেশ কঠিন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। ইরান