যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইসরাইল তার নির্দেশ মেনেই চলবে এবং তিনি যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে তারাও থেমে যাবে। সম্প্রতি মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। সম্প্রতি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে মার্কিন হামলার পর তিনি ইঙ্গিত দেন, পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শক্তিশালী ভাষণ’ ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রুবিও এই লক্ষ্যগুলো তুলে ধরেন— ইরানের অস্ত্র
রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এমন অভিযোগ করছেন। খবর তাসের তার দাবি, ন্যাটোর বাড়তে থাকা সামরিক ব্যয় ও
আলোচিত ও জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারিকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করায় তার বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তাকে সেখান থেকে
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ নিয়ে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে ট্রাম্প বক্তব্য রাখবেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট। অর্থাৎ
শক্তির ভারসাম্যে ইরানের চেয়ে অনেক এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের চেয়ে তিন গুণ বেশি জনসংখ্যা ছাড়াও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এর সঙ্গে ইসরাইলের পোড়খাওয়া সেনাবাহিনী আর তীক্ষ্ণ
ইরান যুদ্ধে যোগ দিতে জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোর সামরিক অভিযানে সহায়তা করবে দেশটি। এছাড়া হরমুজ খুলতে সামরিক শক্তি ব্যবহারে
রাশিয়ার ক্রিমিয়ায় পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ল এএন-২৬ মডেলের একটি রাশিয়ার সেনা বিমান। এতে বিমানটির ছয় ক্রুসহ ২৯ জন আরোহীর সবাই প্রাণ হারিয়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩১
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে আবেদন করেছে বাংলাদেশ সরকার। প্রস্তুতিমূলক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী একগুচ্ছ বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যার কথা উল্লেখ