বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন




উপবৃত্তির টাকা দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা মেরে দিচ্ছেন: উপ-প্রেস সচিব

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫ ৫:০৬ pm
EXAM EXAMS SSC EXAMINATIONS ssc এসএসসি ssc class room school college বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ class room school college ক্লাশ রুম স্কুল কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসএসসি class student পরীক্ষা এইচএসসি পরীক্ষার্থী student ফল ফলাফল file pic class room school college বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ class room school college ক্লাশ রুম স্কুল কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসএসসি class student পরীক্ষা এইচএসসি পরীক্ষার্থী student ফল ফলাফল
file pic

সরকার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উপবৃত্তির টাকা দিচ্ছে। কিন্তু গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা সেই উপবৃত্তির টাকা মেরে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

বুধবার (২ এপ্রিল) ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

পোস্টে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার লেখেন, ‘সরকার স্কুলের ছাত্রীদের উপবৃত্তির টাকা দিচ্ছে অনেক বছর ধরেই। গ্রামের অনেক সহজ-সরল মানুষ বিষয়টা জানেই না। আর এর সুযোগ নিচ্ছেন কিছু দুর্নীতিবাজ শিক্ষক। ছাত্রীর অভিভাবকের বদলে তারা নিজের মোবাইল ফোনে উপবৃত্তির টাকা নিচ্ছেন। তারপর অনায়াসে টাকাটা মেরে দিচ্ছেন।’

নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে তিন দিন গ্রামে ছিলাম। অনেকেই অনেক সমস্যার কথা শেয়ার করেছেন। এর মধ্যে এ সমস্যার কথা শুনে রীতিমতো স্তম্ভিত।’

তদন্ত করার বিষয়ে উপ-প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘আমার পাশের গ্রামে একটা বালিকা বিদ্যালয় আছে। এ ধরনের অপকর্ম ধরা পড়ার পর এক শিক্ষিকা দাবি করছেন, ছাত্রীরা স্বেচ্ছায় স্কুলের উন্নয়ন তহবিলে এ টাকা দান করেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করে এসেছি।’

সচেতন নাগরিকদের বিষয়টি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপ-প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘আপনারা যারা এখনো গ্রামে আছেন, আপনার পাশের স্কুলের খবর নিন। গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। কোনো অপকর্মের হদিস পেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানান। এ দুর্নীতি বন্ধ করতে আপনিও ভূমিকা রাখুন।’

উল্লেখ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ১৯৮২ সালে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ছাত্রীদের নগদ সহায়তা দেওয়া শুরু হয়। ১৯৯৪ সালে চারটি প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ছাত্রীদের উপবৃত্তি দেওয়া শুরু হয়। ২০০২ সালে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়েও উপবৃত্তি চালু হয়।

২০০৯ সালে দরিদ্র পরিবারের মেয়ের পাশাপাশি ছেলে শিক্ষার্থীদেরও উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে ‘সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি’র আওতায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উপবৃত্তি দেওয়া হয়। এর বাইরে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি চালু আছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD