বিশ্ব বাণিজ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের আধিপত্য কমছে। বৈশ্বিক রিজার্ভের মধ্যে ডলারের অংশও কমে যাচ্ছে। ডলারের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশেরই আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক দায় বেড়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে
বাংলাদেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ হাজার ১৯ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কিন্তু আয় এখনও মাথাপিছু ঋণের চেয়ে বেশি। দেশের জনগণের বর্তমান বার্ষিক মাথাপিছু আয়
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে প্রথমবারের মতো প্রকৃত রিজার্ভ কত আছে সেটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সে হিসেবে দেশে এ মূহুর্তে রিজার্ভ আছে ২৩ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। এই
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ এখন ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতি হওয়ার পথে। সম্ভাবনাময় এই
অসহনীয় দ্রব্যমূল্যে নাকাল মানুষ। প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম নিয়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। হুটহাট দাম বেড়ে যাচ্ছে নিত্যপণ্যের। এ নিয়ে ক্রেতাসাধারণের ক্ষোভ ও অভিযোগ থাকলেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে
টাকা লেনদেন ও পাঠানোর সুবিধার কারণে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে এই ব্যাংকিংয়ে দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে গ্রাহক। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। চলতি
দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি আমদানি ও সংরক্ষণের অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। একই সঙ্গে রাশিয়ান প্রতিষ্ঠান বুরুশকে পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাচ্ছে না। বেড়েই চলেছে মন্দ ঋণ। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ হাজার (১৭ হাজার ৮৫৫) কোটি টাকা,
আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এখন ডলারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর একই পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। আগে এ দুই দরের মধ্যে বেশ ব্যবধান থাকত। এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগে আন্তঃব্যাংকের গড়
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্তে নতুন পদ্ধতিতে আরোপিত সুদহার গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। ফলে আগের চেয়ে বর্তমানে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গড়ে সুদহার বেড়েছে ১ দশমিক ৭০