রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পণ্য পাঠানোর জন্য নিষেধাজ্ঞা আছে এমন জাহাজ ব্যবহার করেছিল রাশিয়া। বাংলাদেশ ওই জাহাজকে মোংলা বন্দরে ভিড়তে না দেওয়ায়, এখন বিকল্প পথে পণ্য পাঠাচ্ছে রাশিয়া।
মঙ্গলবার রুশ কোম্পানি রোসাটমের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, পণ্য পরিবহনে বিলম্বের কারণে রূপপুর প্রকল্পে কোনও প্রভাব পড়বে না।
প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব মো. খোরশেদ আলমের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কির আলোচনা হয় এবং তাকে ঢাকার সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে একটি সূত্র জানায়, ‘আমরা বিব্রত। নিষেধাজ্ঞা আছে; এমন একটি জাহাজে রাশিয়া পণ্য পাঠাবে, এটি আমরা আশা করিনি।’
জানা যায়, অক্টোবরে ওই পণ্য মোংলা বন্দরে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের অনুমতি চায় রাশিয়া। তখন তারা জানিয়েছিল যে পণ্যবাহী জাহাজের নাম ‘স্পার্টা-৩’। কিন্তু ওই জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারা একই জাহাজের নাম পরিবর্তন করে এবং নতুন নাম দেয় ‘উরসা মেজর’। কিন্তু আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি জাহাজের একটি নম্বর থাকে, যেটি তারা পরিবর্তন করেনি। ফলে বিষয়টি ধরা পড়ে যায়।
এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা বিষয়টি আইনগত। মার্কিন আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে— এমন জাহাজ ব্যবহার করা করা হলে যারা করবে, তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। এটি একটি কিছুটা ঝুঁকিরও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।’
উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৭০টি রুশ জাহাজকে বাংলাদেশে ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।