বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন




ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি আহত: ডেপুটি হাইকমিশন

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩ ১০:০৩ am
India train collision দুর্ঘটনা এক্সপ্রেস ট্রেন ট্রেনে লাইনচ্যুত ভারত rail ট্রেন rail ticket tickets online Point of Sales Railway buy train রেলওয়ে টিকিট যাত্রী রেল ভবন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন রেলমন্ত্রী কালোবাজারী ভ্রমণ টিকিটিং ট্রেন টিকিটিং পস মেশিন পাসপোর্ট নিবন্ধন এনআইডি জন্মনিবন্ধন সনদ আন্তঃনগর ফটোকপি আইডি কার্ড টিটিই জরিমানা রিফান্ড রেলের টিকিট রেল টিকিট rail railways রেলমন্ত্রী train Rail Railway Setu Bridge রেলওয়ে সেতু রেল ট্রেন train duel platform railway train crashes into freight train বগি লাইনচ্যুত train
file Photo/AFP

কলকাতা থেকে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনও বাংলাদেশি আছে কিনা, সেটা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন। তবে তিন জন আহত হওয়ার খবর জানা গেছে।

শনিবার (৩ জুন) দুপুরে কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বলেন, ‘কোনও বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর এখনও আমরা পাইনি। আমাদের কাছে তিন জন আহত হওয়ার খবর আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া চার জন আমাদের কাছে ফোন করে জানিয়েছেন, তাদের নিকটাত্মীয় ওই ট্রেনে ছিলের। কিন্তু তাদের কোনও খবর পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা তাদের এখনও নিখোঁজ হিসেবে বিবেচিত করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি দল ইতিমধ্যে রওনা হয়ে গেছে। আজ দিনশেষে আমি একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পাবো।’

দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতি ছিল ১২৭ কিলোমিটার, ঢুকেছিল ভুল লাইনে

ভারতের ওড়িশায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ‘সম্ভাব্য’ কারণ জানা গেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস ভুল লাইনে ঢুকে পড়ে। এখান থেকেই দুর্ঘটনার সূত্রপাত হয়।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নাম গোপন রাখার শর্তে রেলওয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার (২ জুন) ওড়িশার বালেশ্বরের বাহানগর বাজার স্টেশনের লুপ লাইনে দাঁড়িয়েছিল একটি মালবাহী ট্রেন। ওই সময় চেন্নাইগামী করমণ্ডল ট্রেনের মূল লাইন দিয়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু মূল লাইনে না গিয়ে এটি লুপ লাইনে ঢুকে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় ১২৭ কিলোমিটার গতিতে এগিয়ে আসা করমণ্ডল এক্সপ্রেস অত্যন্ত জোরে মালবাহী ট্রেনকে ধাক্কা দেয়। তখন করমণ্ডল এক্সপ্রেসের কয়েকটি বগি ছিটকে পাশের আরেকটি মূল লাইনে গিয়ে পড়ে। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিপরীত দিক থেকে বেঙ্গালুরু থেকে হাওড়াগামী সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস চলে আসে। লাইনের ওপর পড়ে থাকা করমণ্ডল ট্রেনের কয়েকটি বগিতে সজোরে ধাক্কা মারে সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। এতেই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

ভারতের খড়গপুর ডিভিশনের সিগন্যাল রুমের ভিডিওতে দেখা গেছে, বালেশ্বরের ওই স্টেশনের কাছে মোট চারটি লাইন রয়েছে। এর মধ্যে দুটি লুপ লাইন। আর বাকি দুটি মেইন লাইন।

লুপ লাইন কী?

ভারতের রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, লুপ লাইন তৈরি করা হয় স্টেশন এলাকায়। মূলত ট্রেন চলাচল সহজ করতে এসব লুপ লাইন বানানো হয়। লুপ লাইন সাধারণত ৭৫০ মিটার লম্বা হয়, যেন কয়েকটি ইঞ্জিনসহ একটি বড় মালবাহী ট্রেন দাঁড়াতে পারে। তবে এখন এ লুপ লাইনের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ভারতের রেলওয়ে।

দুর্ঘটনার জন্য কে দায়ী?

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা কি মানুষের ভুলে হয়েছে নাকি কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণে হয়েছে সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।

তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানুষের ভুলই এজন্য দায়ী। কারণ করমণ্ডল এক্সপ্রেস প্রথমে ভুল লাইনে প্রবেশ করেছিল। এরপর এটি লাইনচ্যুত হয়েছিল।

তবে আরেকটি সূত্র বলছে, লুপ লাইনে ট্রেনটি দাঁড়ানো থাকলেও হয়ত এটির কয়েকটি বগি মূল লাইনের ওপর ছিল। আর ওই সময় মূল লাইন দিয়ে আসা করমণ্ডল এক্সপ্রেস ওই বগিগুলোতে সজোরে ধাক্কা মারে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD