শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন




এবার ঈদে সারা দেশে ৮৫ লাখ গরু-ছাগল কোরবানির আশা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৯ জুন, ২০২৩ ৫:৪৬ pm
livestock Friesian Friesian Cross Cattle Australian Cattle Feed Cow Farm Agro livestock Cattle farming Heife Dairy farming agriculture milk product bull cow bulls cows Qurbani Eid farmers beef fattening established trade ক্যাটল কাটল এক্সপো গবাদিপশু পালন মেলা পশুপাখি মেলা একটি বাড়ি একটি খামার খামারি খামারী খামার গরু প্রদর্শিত অ্যাগ্রো গোখাদ্য এগ্রো ফার্মা প্রদর্শন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কোরবানি গরু মোটাতাজা জাত
file pic

চামড়া শিল্প অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে খাতটিতে প্রচুর সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশ্বে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজারের প্রায় ৩ শতাংশ বাংলাদেশের দখলে। এবার ৮৫ লক্ষ গরু ও ছাগল কোরবানি করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান মো. শাহিন আহমেদ।

সোমবার (১৯ জুন) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বিটিএ আয়োজিত ‘চামড়া শিল্পের টেকসই উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বলেন, চামড়া খাত অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এরপরেও শিল্প খাতে চামড়ার অবদান ২ শতাংশ। এছাড়া রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ আসে চামড়া শিল্প থেকে। অপরদিকে জিডিপিতে এই শিল্পের অবদান দশমিক ৬০ শতাংশ।

চামড়া শিল্পের সম্ভাবনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজারের প্রায় ৩ শতাংশ বাংলাদেশের দখলে। এর মধ্যে ২ শতাংশ গরু ও ৪ শতাংশ ছাগল। ২০৩০ সাল নাগাদ ১২ দশমিক ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মূল্য সংযোজন কর ৮০ শতাংশের বেশি হবে। জিডিপিতে চামড়া খাতের অবদান বাড়বে। প্রায় ৩৫ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে।

বিটিএ চেয়ারম্যান খাতটির চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিভাগীয় শহরে যান্ত্রিক কসাইখানা ও কোল্ড স্টোরেজ করা দরকার। ট্রেনিং, টেকনোলজি এবং টেস্টিং সুবিধা পাওয়ার জন্য একটি স্পেলাইশড কমন ফেসেলিটিস সেন্টার স্থাপন করতে হবে৷ শ্রমিকদের জন্য আবাসন, যোগাযোগ, নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও শিক্ষার সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়া এই শিল্পে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনতে হবে।

সেমিনারে স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিএ চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ এবং বিটিএর হেড অব প্রজেক্টস অ্যান্ড প্রোগ্রাম রেহানা আক্তার রুমা।

এছাড়া প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইআরএফ সভাপতি মোহাম্মদ রেফায়েত উল্লাহ মির্ধা, ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম, মার্সনস ট্যানারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরিকুল ইসলাম খান, ট্যানারি শ্রমিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ।

বক্তারা বলেন, ‘দূষণ থেকে বাঁচতে হাজারীবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তর করা হয় চামড়া শিল্প নগরী। কিন্তু সেখানেও পরিবেশ সম্মত উপায়ে হচ্ছে না চামড়া প্রক্রিয়াকরণ। এখন কার্যকর হয়নি সিইটিপি বা পানি শোধনাগার। হচ্ছে না পরিবেশ সম্মত বর্জ্য নিষ্কাশনও।

খাত সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, পরিবেশ সম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা না থাকায় রপ্তানির বাজার সংকুচিত হচ্ছে। স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন না থাকায় পাওয়া যাচ্ছে না এলডাব্লিউজি এবং আইএসও সনদ। বলা হয়, চামড়া খাতের এই সংকটের জন্য দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা দরকার।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD