বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন




জি-২০’র শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে

দিল্লিতে বৈঠকে বসছেন হাসিনা-মোদি, তিস্তা প্রসঙ্গ তুলবে ঢাকা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ৪:৫১ pm
hasina-modi hasina Prime Minister Sheikh Hasina Wazed প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Sheikh Hasina Prime Minister Bangladesh প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Cabinet Secretary মন্ত্রিপরিষদ hasina pmhasina mp pm-hasina hasina hasina pm pm pm hasina pm sheikh hasina sheikh-hasina Shri Narendra Modi Narendra Damodardas Modi Prime Minister of India ভারত ভারতের ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি মোদী नरेंद्र दामोदर दास मोदी নরেন্দ্র মোদি
file pic

নয়াদিল্লিতে বিশ্বের শিল্পোন্নত ও বিকাশমান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০’র শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তবে এই বৈঠকের সময় এখনও নির্ধারিত নয় বলে রোববার ভারতের ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন সরকারপ্রধান। বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে তিস্তার ‘জট’ খোলার বিষয়টি তোলা হবে।

জি-২০ জোটের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভারত আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাবে। সম্মেলন উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা ভারত সফর করবেন। সম্মেলনের ফাঁকে কয়েকটি দেশের প্রধানদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পরিকল্পনাও রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। কারণ গত কয়েক মাস ধরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মাঝে যথাযথ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়নি।

জি-২০ সম্মেলনের ব্যস্ত সময়সূচির ফাঁকে শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া রোববার উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলন শেষে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথেও বৈঠক করবেন তিনি।

এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লি সফর করবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ৮ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

আর আগামী শনিবার ও রোববার জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। সম্মেলনে তিনি ও জি-২০’র অংশীদাররা পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে স্থানান্তর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করবেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি তার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাইডেন ও ম্যাক্রোঁর জন্য নৈশভোজ ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনে আগ্রহী। কিন্তু অনুষ্ঠানের সময়সূচি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতে শুক্রবার কখন পৌঁছাবেন তার ওপর নির্ভর করছে।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, জি-২০ সম্মেলন শেষে বাংলাদেশ সফরে যাবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। আগামী রোববার ঢাকার উদ্দেশে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন তিনি।

এবারের সম্মেলনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা ধরনের প্রভাব প্রশমনের পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বনেতারা আলোচনা করবেন। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আরও ভালোভাবে লড়াইয়ের জন্য বিশ্বব্যাংকসহ বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

হাসিনা-মোদি বৈঠকে তিস্তা প্রসঙ্গ তুলবে ঢাকা

আগামী সপ্তাহে ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন সরকারপ্রধান। বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে তিস্তার ‘জট’ খোলার বিষয়টি তোলা হবে।

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘জাতিসংঘ পানি সম্মেলন-২০২৩’ নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, উচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে তিস্তা নদীর হিস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা করে এসেছি। আশা করছি এবারও প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি তুলবেন। এছাড়া আমাদের তো অন্যান্য ইস্যুও রয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। ভারতের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি আছে, আলোচনায় সেটিও তোলা হবে। সব বিষয়ে আমাদের যৌথ নদী কমিশন এবং অন্যরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় এক সেমিনারে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আন্তঃনদী আলোচনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন পররাষ্ট্র সচিব। হাসিনা-মোদির বৈঠকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় নদী নিয়ে আলোচনা হবে কি না এবং আজকের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, এটা নিয়ে আমরা আলাদা করে আলোচনা করিনি। অন্যান্য কয়েকটি বিষয় বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেছি।

চলতি বছরের মার্চে তিস্তার পানি প্রত্যাহারে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে দুটি খাল খননের বিষয়ে কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে নয়া দিল্লির কাছে জানতে চেয়েছে ঢাকা। এরপর প্রায় পাঁচ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এ বিষয়ে নয়া দিল্লির কোনো বার্তা পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, এখনো পাইনি।

ভবিষ্যতে পানি সমস্যা সমাধানে আগাম সচেতনতার বার্তা দেন পররাষ্ট্রসচিব। তিনি বলেন, আমাদের অনেক পানি আছে। এটা নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আগামী পাঁচ বছর বা দশ বছর পর হয়ত আমাদের পানি নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ আসতে পারে। সেজন্য বৈজ্ঞানিকভাবে আমাদের বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে। আমাদের যে পানি আছে, সেটিকে কীভাবে আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের যে আন্তর্জাতিক কমিটমেন্ট এবং এনগেজমেন্ট আছে, সেটি নিয়ে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারি। রিসোর্স মবিলাইজেশনের ব্যাপার আছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা সম্পর্কিত তহবিল আছে, সেটিকে কীভাবে ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারি…অনেক কাজ আছে সামনে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD