সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন




কিয়ামতের ভয়াবহতা ও শিঙ্গায় ফুঁৎকার প্রসঙ্গে

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫ ৯:০৭ pm
accidents highway hig hway মরদেহ মৃত্যু মৃত্যুবরণ road crash kill killed Shok শোক দুর্ঘটনা রোড সড়ক মহাসড়ক যানজট রাস্তা বাস গাড়ি সড়ক road bus gridlock Study in India comp Accident মোটরসাইল মোটরসাইলের মুখোমুখি সংঘর্ষ দুর্ঘটনা রোড সড়ক মহাসড়ক যানজট রাস্তা বাস গাড়ি সড়ক Accident road bus gridlock Study in India comp body লাশ নিহত মৃত মৃতু শোক হত্যা খুন সড়ক grave dead body buried funeral burial মৃত কবর দাফন জিয়ারত যিয়ারত জানাজা
file pic

১- প্রথম শিঙ্গা ফুৎকারে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যারা থাকবে সকলেই বেহুশ হয়ে যাবে। তবে আল্লাহ যাদের রক্ষা করবেন তারা বেহুশ হবে না।

২- দ্বিতীয় বার শিঙ্গা ফুঁক দিলে সকলেই জীবিত হয়ে উঠবে।

৩- দু’ বার শিঙ্গা ফু‍কের বিষয়টি প্রমাণিত হলো।

৪- দ্বিতীয় বার শিঙ্গায় ফুৎকারের পর পৃথিবী আলোকিত হবে, হিসাব-নিকাশ শুরু হবে।

৫- দ্বিতীয় আয়াতে যে শিঙ্গা ফুৎকারের কথা এসেছে সেটা দ্বিতীয় ও শেষ ফুঁৎকার।

৬- তৃতীয় আয়াতে যে ফুৎকারের কথা আলোচিত হয়েছে সেটা হলো প্রথম ফুৎকার।

৭- শুধু পৃথিবীর অধিবাসীরা নয়। আকাশের অধিবাসীরাও কিয়ামতের ভয়াবহতায় কম্পিত হবে।

হাদীসে এসেছে: আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«مَا بَيْنَ النَّفْخَتَيْنِ أَرْبَعُونَ» قَالَ: أَرْبَعُونَ يَوْمًا؟ قَالَ: أَبَيْتُ، قَالَ: أَرْبَعُونَ شَهْرًا؟ قَالَ: أَبَيْتُ، قَالَ: أَرْبَعُونَ سَنَةً؟ قَالَ: أَبَيْتُ، قَالَ: «ثُمَّ يُنْزِلُ اللَّهُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَيَنْبُتُونَ كَمَا يَنْبُتُ البَقْلُ، لَيْسَ مِنَ الإِنْسَانِ شَيْءٌ إِلَّا يَبْلَى، إِلَّا عَظْمًا وَاحِدًا وَهُوَ عَجْبُ الذَّنَبِ، وَمِنْهُ يُرَكَّبُ الخَلْقُ يَوْمَ القِيَامَةِ»

“দু’ শিঙ্গায় ফুৎকারের মধ্যে সময় হলো চল্লিশ। লোকেরা প্রশ্ন করল, হে আবু হুরায়রা উহা কি চল্লিশ দিন? আমি (আবু হুরায়রা) না বললাম। তারা জিজ্ঞেস করল, তাহলে কি চল্লিশ মাস? আমি বললাম, না। তারা জিজ্ঞেস করল তাহলে কি চল্লিশ বছর? আমি বললাম, না। রাসূলুল্লা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরপর আল্লাহ তা‘আলা আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করবেন। তখন মানুষেরা জেগে উঠবে যেমন উদ্ভিদ উদগত হয়। মানুষের দেহের কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। থাকবে শুধু মেরুদন্ডের একটি হাড্ডি। আর এটি দিয়েই কিয়ামতের দিন সৃষ্টিজীবকে আবার তৈরি করা হবে”।[1]

হাদীসটি থেকে আমরা যা শিখতে পারলাম:

১- কিয়ামত সংঘটনে দু’ বার শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে। সহীহ বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত এ হাদীসটি থেকে আমরা তা জানতে পারলাম। অবশ্য বেশ কিছু আলিম তিন বার বা চার বার শিঙ্গা ফুকেঁর কথা বলেছেন। কিন্তু আল কুরআনের আয়াত ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত দু’ বার শিঙ্গা ফুকেঁর বিষয়টি অধিকতম বিশুদ্ধ।

২- দু’ ফুৎকারের মাঝে সময় চল্লিশ দিন না মাস না বছর? কোনটি আসলে উদ্দেশ্য? বিভিন্ন হাদীসে চল্লিশ বছরের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সে হাদীসগুলো দুর্বল সুত্রের। আসল কথা হলো বিষয়টি অস্পষ্ট রাখা হয়েছে।

৩- কিয়ামতের সময় কবরে মানুষের দেহের কোনো কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। শুধু একটি মেরুদন্ডের হাড় আল্লাহ তা‘আলা অক্ষত রাখবেন। সেটি দিয়ে মানুষকে আবার সৃষ্টি করবেন।

[1] সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৯৩৫, ও সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৯৫৫।

IFM desk




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD