স্টাফ রিপোর্টার, পীরগঞ্জ, রংপুর থেকে
রংপুরের পীরগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির বৈঠকে ন্যায় সঙ্গত কথা বলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি।
পীরগঞ্জ থানা ও ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার শানের হাট ইউনিয়নের ছোট পাহাড়পুর গ্রামের ইমদাদুল হক বকুলের ছেলে বাদল মিয়া, তার কন্যা শেমা বেগম, প্রতিবন্ধী কনিষ্ঠ ছেলে কানু মিয়া। কানু মিয়ার ২৬ শতাংশ জমি বিক্রয়ের প্রস্তাব দিলে পীরগঞ্জ পৌর শহরের প্রজাপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম তা ক্রয় করেন। গত ৬ জুলাই ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করেন আমিনুল। এতে জমি বিক্রেতা কানু মিয়ার বড় ভাই বাদল মিয়ার যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। বাদল মিয়া রাস্তা বাদ দিয়ে প্রাচীর নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এই নিয়ে একটা বিরোধ দেখা দিলে ঐ দিন বিকালে গ্রাম্য সালিস আহ্বান করে বাদল মিয়া। ঐ সালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ থানা পুলিশের দুই জন সদস্য, ঐ গ্রামের প্রতিবেশী বাতেন মিয়া, হোসেন আলী, লেবু মিয়া, আবুল কাশেম সহ আরো ১০/১২ জন ব্যক্তি।
বৈঠকে প্রতিবেশী বাতেন মিয়া সবার উদ্দেশ্যে বলেন, জমি মাপযোগ করে যাতায়াতের রাস্তা বাদ দিয়ে যার যার অংশে কাজ করেন। এই কথা বলে বাতেন মিয়া তার ব্যবসায়িক কাজে চলে যান। পরদিন ৭ জুলাই বাতেন মিয়া লোক মুখে জানতে পায় ঐ ক্রয়কৃত জমির মালিক আমিনুল ইসলামের নিকট বাতেন মিয়া প্রাচীর নির্মাণ করতে হলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। এমনকি অভিযোগ পত্রে বাতেন মিয়া কে জামায়াত নেতা উল্লেখ করা হয়েছে। আমিনুল ইসলাম বাতেনের বিরুদ্ধে থানায় ঐ অভিযোগ দেন।
চাঁদা দাবি এবং জামায়াত নেতা বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের কাছে বিষয়টি হাস্যকর, মিথ্যা প্রোপাগান্ডা বলে জানা যায়। উপরে উল্লেখিত ব্যক্তি এবং প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পীরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হাসান জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।