গতি দিয়ে রাজ করেছেন, গতিতে বল করে পেয়েছেন পরিচিতি। প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে লড়েন নাহিদ রানা, থাকে বাউন্সারও। সফল হন, আলোচনায় থাকেন। তবে শ্রীলংকায় খোলশবন্দি টাইগার এই পেসার। তাকে হেসেখেলে খেলছেন লঙ্কান ব্যাটাররা। কিন্তু কোন মন্ত্র বলে?
লঙ্কা সফরে দুই টেস্টের দুটি ইনিংসে ৩৯ ওভার বল করেন নাহিদ। গল টেস্টে ওভারপ্রতি ৫.১০ করে রান বিলিয়েছেন। উইকেট পাননি। কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসেও রাজ করতে পারেননি। ১৪০ এর বেশি গতিতে বল করলেও প্রতিপক্ষের ওপর চাপ ফেলতে পারেননি। উল্টো তার ওপর চড়াও হন পাথুম নিশাঙ্কা-দিনেশ চান্দিমালরা। একটি উইকেট অবশ্য পান। কিন্তু রান খরচ করেন ওভারপ্রতি ৪.৭০ করে।
যার গতি নিয়ে এত আলোচনা কিংবা ভয়, তা কিভাবে জয় করে ফেলল শ্রীলংকা? কলম্বোতে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে কামিন্দু মেন্ডিসের কাছে জানতে চাওয়া হয় নেপথ্য। লঙ্কান ব্যাটার শুনিয়েছেন ইতিবাচক থাকার কথা, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং করা বোলারদের মোকাবিলা করতে হবে। ইতিবাচক থেকেই এগিয়েছি আমরা। এটাই।’
নাহিদের নির্বিষ থাকার টেস্টে বাকিরাও ভালো করতে পারেননি। তাইজুলের ফাইফারে লঙ্কানদের থামানো গেলেও শঙ্কা কাটেনি। বোলারদের লড়াই সবটাই ফিকে হয়েছে ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। গল টেস্ট ড্র করা বাংলাদেশ কলম্বোয় পড়েছে ইনিংস হারের শঙ্কায়।
(যুগান্তর)