বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন




বিশ্বের ৭৩ কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৩ ১০:২৬ am
Hunger poverty ফিতরা poor gift famine scarcity food ক্ষুধা আকাল ক্ষিদা ক্ষিদে অন্নকষ্ট দুর্ভিক্ষ খাদ্য ঘাটতি অনাহার মন্দা গরিব দুখী শ্রমিক durbikkho সাহায্য দাতব্য মানবিক সাহায্য উপকার উপহার দান ভাতা সেবা খাদ্য দুর্নীতিগ্রস্ত dividend লভ্যাংশ devedend লভ্যাংশ ঘোষণা zakat zakat যাকাত poor gift famine scarcity food ক্ষুধা আকাল ক্ষিদা ক্ষিদে অন্নকষ্ট দুর্ভিক্ষ খাদ্য ঘাটতি অনাহার মন্দা গরিব দুখী শ্রমিক durbikkho সাহায্য দাতব্য মানবিক সাহায্য উপকার উপহার দান ভাতা সেবা খাদ্য দুর্নীতিগ্রস্ত
file pic

বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ২০২২ সালে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষুধার মুখোমুখি হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির আগের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি। এই সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা নির্মূল করার বৈশ্বিক লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির জন্য হুমকি দেয়। বুধবার জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্বে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, বহু বছর ধরে বিশ্বে অনাহারী বা ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির যে প্রবণতা ছিল তা গত বছর বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ অনেক দেশই মহামারি থেকে অর্থনৈতিকভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং খাদ্য ও জ্বালানির দামের উপর চাপ সেই সংখ্যাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২২ সালে প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ বেশি মানুষ ক্ষুধার্ত ছিল। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা দূর করার জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের যে লক্ষ্য তা পূরণ থেকে বিশ্ব ‘অনেক দূরে’। পরিস্থিতি এমন দিকে যাচ্ছে, যে ২০৩০ সালে ৬০ কোটি মানুষ অপুষ্টির শিকার হবে।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরো কুলেন বলেন, ‘আমরা দেখছি যে ক্ষুধা একটি উচ্চ মাত্রায় স্থিতিশীল হচ্ছে, যা খারাপ খবর।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার প্রধান চালিকাশক্তিগুলি ছিল জীবিকার ক্ষেত্রে সংঘাত, জলবায়ুর চরমতা যা, কৃষি উৎপাদনকে হুমকির মুখে ফেলেছিল এবং মহামারির কারণে বেড়ে যাওয়া অর্থনৈতিক কষ্ট।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD