বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় যুক্তরাজ্য। রোববার (২৭ আগস্ট) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সাথে বৈঠক শেষে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক সাংবাদিকদের একথা জানান।
এ সময় সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে কমিশন বদ্ধপরিকর। বৈঠকে সিইসির নেতৃত্বে অন্য কমিশনাররাও উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১১টায় নির্বাচন ভবনের সিইসির দপ্তরে বৈঠকে বসেন সারাহ কুক।
হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সারাহ কুকের এটিই প্রথম বৈঠক।
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা সাক্ষাৎ করেছেন। তারা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চেয়েছেন।
সিইসি বলেন, যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় ও আলাপচারিতার মধ্যে নির্বাচন প্রসঙ্গ উঠে এসেছিল। জানতে চেয়েছিলেন আমাদের প্রস্তুতি কেমন। নির্বাচন সম্পর্কে তিনি আশাবাদী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও অংশগ্রহণমূলক হবে। তিনি অতিরিক্ত যেটা বলেছেন নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয়।
আমরাও আমাদের পক্ষ থেকে তা জানাতে পেরেছি। গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, পর্যবেক্ষকদের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি আমরা ট্রান্সপারেসিতে খুব জোর দিয়ে থাকবো। গণমাধ্যমের কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠ সহায়তা কামনা করে থাকবো।
তিনি বলেন, গণমাধ্যম দাবি তুলেছে মোটরসাইকেল ব্যবহারের বিষয়ে। আমরা বলেছি একটা কারণে এটা বাদ দিয়েছিলাম, এটার অপব্যবহার হবে কি না। যারা মাসলম্যান তারা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে কোন ধরনের সংকট সৃষ্টি করবে কি না? সেটা মাথায় রেখে একটা বিধান আমরা করেছিলাম।
একই সঙ্গে বলছি গণমাধ্যমের যে দাবি সেখানে যৌক্তিকতা আছে। মোটরসাইকেল তাদের পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম কাভার করা কষ্টসাধ্য হতে পারো। এটা আন্ডাররিভিও করছি, এটা পরিবর্তন করবো। তিনি আশা করেছেন নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক ও ক্রেডিবিলিটি হয়। আমরা বলছি নির্বাচন অবাধ করতে পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
সারাহ কুক বলেন, ইউকে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায়।