সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন




সুপার ওভারে নাটকীয়তায় পূর্ণ পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪ ১১:৩৭ am
Cricket Bangladesh India Bangladesh Cricket board bcb বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি টেস্ট ক্রিকেট Test cricket bcb টেস্ট দল Cricket-Bangladesh afg bangladesh Cricket-Bangladesh Cricket- Bangladesh
file pic

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম অঘটনটি ঘটে গিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে। ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান হেরে গিয়েছে আমেরিকার বিরুদ্ধে। সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারিয়েছে আমেরিকা। আর সেই সুপার ওভারটা চূড়ান্ত নাটকীয়তায় পূর্ণ ছিল।

সুপার ওভারে আমেরিকার ব্যাটিং এবং পাকিস্তানের বোলিং

প্রথম বল: অ্যারন জোনসের থেকে বলটা দূরে রাখতে চান মোহাম্মদ আমির। কিন্তু বলটা এতটাই দূরে ছিল যে ওয়াইড হয়ে যাচ্ছিল। সেটা অবশ্য হতে দেননি জোনস। বলটা বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দেন। ১ বলে ৪ রান।

দ্বিতীয় বল: নিখুঁত ইয়র্কার আমিরের। তবে ভালো খেলেন জোনস। মিড-উইকেট দিয়ে বলটা ফ্লিক করে দেন। দু’রান নেন। ২ বলে ৬ রান।

তৃতীয় বল: আরও একটা নিখুঁত ইয়র্কার আমিরের। জোনসের কাছে হাত খোলার কোনো সুযোগ ছিল না। ৩ বলে ৭ রান।

চতুর্থ বল (ওয়াইড) : ওয়াইড করেন আমির। দৌড়ে এক রান নিয়ে নেন হরমিত। ৩ বলে ৯ রান।

চতুর্থ বল: এক রান নেন জোনস। ৪ বলে ১০ রান।

পঞ্চম (ওয়াইড) বল: ফের ওয়াইড করেন আমির। সঙ্গে দৌড়ে এক রান নিয়ে নেয় হরমিত। যোগ হয় দুই রান। ৪ বলে ১২ রান।

পঞ্চম বল: আমিরের বলটা কাট করেন জোনস। দুই রান নেন। ৫ বলে স্কোর ১৪ রান।

ষষ্ঠ (ওয়াইড) বল: ওয়াইড করেন আমির। রিজওয়ান বল ধরতে-ধরতে এক রান নিতে দৌড়ান জোনসরা। রিজওয়ান থ্রো করেন। ওভারথ্রো হয়ে যায়। দৌড়ে আরও এক রান নেয় আমেরিকা। তিন রান যোগ হয়। ৫ বলে ১৭ রান।

ষষ্ঠ বল: ইয়র্কার করতে যান আমির। স্কোয়ার লেগের দিকে বলটা ঠেলে দেন জোনস। দ্বিতীয় রান নেওয়ার চেষ্টা করেন। রান-আউট হয়ে যান। ৬ বলে ১৮ রান।

সুপার ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিং এবং আমেরিকার বোলিং

প্রথম বল: ইফতিকার আহমেদকে অনুসরণ করেন সৌরভ নেত্রভালকর। কোনো রান হয়নি। ১ বলে ০ রান।

দ্বিতীয় বল: লেংথ বল করেন সৌরভ। পুল মারেন ইফতিকার। লং-অন এবং ডিপ মিড-উইকেটের মধ্যে দিয়ে চার হয়ে যায়। ২ বলে ৪ রান।

তৃতীয় বল: অবিশ্বাস্য ক্যাচ নেন সুপার-সাব মিলিন্দ কুমার (ভারতীয় বংশোদ্ভূত, দিল্লিতে জন্ম, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে ছিলেন)। জোনসের জায়গায় তিনি ফিল্ডিং করতে নামেন। ইফতিকারকে নিচু ফুলটস করেন সৌরভ। বড় শট মারতে যান ইফতিকার। দুর্দান্ত ক্যাচ নেন মিলিন্দ। তিনি লং-অফে ছিলেন। পা ফেলে কিছুটা এগিয়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুরন্ত ক্যাচ নেন। বলটা ক্রমশ নিচের দিকে নামছিল। ফলে অত্যন্ত কঠিন ছিল ক্যাচ। ৩ বলে ৪ রান।

চতুর্থ (ওয়াইড) বল: ওয়াইড করেন সৌরভ। বলটা ছেড়ে দেন শাদাব খান। ৩ বলে ৫ রান।

চতুর্থ বল: ভাগ্যের বদন্যতায় চার পেয়ে যায় পাকিস্তান। পায়ের আঙুলে বলটা লেগে চার হয়ে যায়। ৪ বলে ৯ রান।

পঞ্চম বল: দারুণ ইয়র্কার। শাদাব বলটা তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু লং-অফ এবং লং-অনের মধ্যে গিয়ে পড়ে বলটা। দুই রান নেন শাদাব। ৫ বলে ১১ রান।

ষষ্ঠ বল: শেষ বলে সাত রান দরকার ছিল। ছক্কা মারলে ফের সুপার ওভার হত। কিন্তু এক রানের বেশি নিতে পারেননি শাদাব। পাঁচ রানে জিতে যায় আমেরিকা।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD