শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন




ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫ ১০:১১ pm
খেলা Bangladesh Cricket board bcb বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি
file pic

জয়ের জন্য শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। তাদের হাতে ছিল এক উইকেট। মুস্তাফিজের করা ওভারের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সমীকরণ সহজ করেন দানিয়েল। পরের বলেও উড়িয়ে মেরেছিলেন এই ব্যাটার, তবে এবার বল যায় সরাসরি মিডউইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা শামীমের হাতে। তাতে ৮ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ২ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।

উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শোক জানিয়ে মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু করা ম্যাচে একাদশে দুই পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। তানজিদ তামিমকে বিশ্রাম দিয়ে ওপেনিংয়ে খেলানো হয় নাঈম শেখকে। শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের প্রথমটিতে জাকের আলী না থাকায় চারে ব্যাটিং করে ত্রিশ ছাড়ানো রান করেছিলেন তিনি। এবার নিয়মিত ব্যাটিং অর্ডার ওপেনিংয়ে ফিরে ব্যর্থ হন (৩)।

রান পাননি অধিনায়ক লিটন দাসও (৮)। পরেই শূন্য করে রান আউট হন তাওহীদ হৃদয়। ২৫ রানে তিন উইকেট হারানো দলকে ভরসা দিতে পারেননি ওপেনার ইমনও। তিনি ফিরে যান ১৪ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ১৩ রান করে। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন জাকের আলী ও শেখ মেহেদি। তারা ৫৩ রানের জুটি গড়েন।

মেহেদি ফিরে যান ২৫ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে। তার ব্যাট থেকে দুটি করে চার ও ছক্কা আসে। পরেই শামীম পাটোয়ারি (১) প্লেড অন হলে ভালো রানের আশায় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। তবে জাকের কিছুটা ওই ক্ষতি পূরণ করে দেন। তিনি ইনিংসের শেষ বলে ক্যাচ হওয়ার আগে ৪৮ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছক্কা ছিল পাঁচটি। চার মেরেছেন একটি। এছাড়া তানজিম ৭ ও রিশাদ হোসেন ৮ রান যোগ করেন।

জবাবে নেমে পাকিস্তান প্রথম ওভারে ওপেনার সাঈম আইয়ূবকে হারায়। তিনি ১ রান যোগ করে রান আউট হন। দ্বিতীয় ওভারে পরপর ফখর জামান (৮) ও মোহাম্মদ হারিসকে (০) তুলে নেন শরিফুল ইসলাম। এরপর পঞ্চম ওভারে পরপর হাসান নওয়াজ ও মোহাম্মদ নওয়াজকে রানের খাতা খোলার আগে সাজঘরে পাঠান তানজিম সাকিব। ওই ধাক্কায় সামলে ওঠার আগে ৪৭ রানে ৭ উইকেট হয়ে যায় পাকিস্তান। ব্যর্থ হন অধিনায়ক সালমান আঘা (৮) ও অলরাউন্ডার খুশদিল শাহ (১৩)।

সেখান থেকে একার লড়াই চালিয়ে যান পাকিস্তানের পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। তিনি প্রথমে পেসার আব্বাস আফ্রিদিকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন। আব্বাস ১৩ বলে ১৯ রান যোগ করেন। ফাহিম ১৯তম ওভারের শেষ বলে ৩২ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে রিশাদের বলে বোল্ড হন। তার ব্যাট থেকে চারটি করে চার ও ছক্কা আসে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৩ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। প্রথম বলে মুস্তাফিজ চার খেয়ে ভক্তদের মনে ভয় ধরান। পরের বলে উইকেট নিয়ে জয় এনে দেন তিনি। ম্যাচ সেরা হয়েছেন জাকের।

বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল। তাসকিন আহমেদের জায়গায় একাদশে ঢুকে ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। পেসার তানজিম ও স্পিনার শেখ মেহেদি ৪ ওভারে যথাক্রমে ২৩ ও ২৫ রান দিয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। মুস্তাফিজ ৩.২ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট। একটি উইকেট পেলেও লেগ স্পিনার রিশাদের অফ ডে গেছে। তিনি ৪ ওভারে ৪২ রান খরচা করেছেন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD