পুঁজিবাজার থেকে পুঁজি হারিয়ে গত অর্থবছরে চলে গেছেন প্রায় ২ লাখ বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও)ধারী বিনিয়োগকারী। সংশ্লিষ্টদের মতে, দুটি কারণে বাজার ছেড়েছেন তারা। এর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন
বাজারে আগুন যেন থামছেই না। যৌক্তিক কারণ ছাড়াই যে যার মতো জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে। কোনো কোনো পণ্যের দাম এক সপ্তাহর ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। সাধারণ মানুষ বাজারে গিয়ে হতভম্ব, সংক্ষুব্ধ;
কর অব্যাহতির কারণে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। গত ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২২-২০২৩ অর্থবছর সরকার বিভিন্ন কারণে কর অব্যাহতি দিয়েছে। আর এ কারণে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৪১
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে স্বল্পমেয়াদি ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এতে রিজার্ভে সাময়িক চাপ কমলেও পরে তা বেড়ে যাবে। আপাতত স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ কমায় ডলারের
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কাঁচা মরিচের দাম কামেনি। রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টি ও পরিবহন সংকটে কমে গেছে মরিচের সরবরাহ। তাই দাম ঊর্ধ্বমুখী।
দেশে প্রায় সব জিনিসের দাম বাড়লেও কমেছে কোরবানির চামড়ার দাম। তবে বেড়েছে জুতা-স্যান্ডেলসহ সব ধরনের চামড়াজাত পণ্যের দাম। এক দশক ধরে বিশেষ সিন্ডিকেটের কারণে চামড়ার ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে
এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারাদেশে মোট ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। গত বছর সারাদেশে কোরবানিকৃত গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি। ২০২১ সালে এ
সরকারের তরফ থেকে মূল্য বেঁধে দেয়া হলেও কোরবানি পশুর চামড়ার দাম নিয়ে নৈরাজ্য তৈরি হয়েছে। রাজধানীতে ২৫ থেকে ৩০ ফুট আকারের একেকটি বড় গরুর চামড়া মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কাঁচা মরিচের দাম কামেনি। রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টি ও পরিবহন সংকটে কমে গেছে মরিচের সরবরাহ। তাই দাম ঊর্ধ্বমুখী।
কোরবানি উপলক্ষে এ বছর দেশে ৯৪ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি পশু বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে ৪৩ লাখ ৬১ হাজার গরু-মহিষ ও ৫০ লাখ ৮১ হাজার ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য পশু বিক্রি