ইরান সংলাপ ও সমঝোতাকে স্বাগত জানায় এবং তা অব্যাহত রেখেছে। তবে তিন কারণে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না—ইরানের এমন ঘোষণার পর এই ঊর্ধ্বগতি
কয়েক বছর আগে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর তৎপরতা সম্পর্কিত সামরিক প্রতিবেদনে প্রথম ইরানের ড্রোনের বিষয়টি সামনে আসে। পরবর্তীতে সামরিক বিশেষজ্ঞরা ইয়েমেনে হুথিদের ব্যবহৃত ড্রোনগুলোর উৎস খুজতে গিয়ে তার সাথেও ইরানের সম্পর্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক কোড ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন এবং তাকে থামিয়ে দেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন—এমন দাবি সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। বিষয়টি
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী বলেছেন, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির ঘোষণা ‘অর্থহীন’। পরাজিত পক্ষ কোনো শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। মোহাম্মদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমাবর্ষণের চেয়ে আলাদা
বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইরান। একইসঙ্গে আজারবাইজান হয়ে ইরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশি নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে দেশটি। মঙ্গলবার রাতে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জের ধরে হরমুজ প্রণালি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে ইরান। দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এর অনুমতি না পেয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারছে না
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেয়া এক ঘোষণায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। কিন্তু দুই পক্ষের আলোচনা এখনো কোনো মীমাংসায় পৌঁছায়নি। ইসলামাবাদে একটানা ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও কোনো চুক্তি হয়নি। গেল সপ্তাহে সেই আলোচনা শেষে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান এখন সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। ওয়াশিংটন পোস্টের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বার্তা দিয়েছেন। সেই বার্তায় তাকে প্রকাশ্যে কড়া ভাষা