প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে নিয়োগ এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির দাবি জানিয়েছে বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদ। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাতীয় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি শাহীনুর আকতার বলেন, ২০১৫ সালের পে-স্কেলে ২০টি গ্রেডে বেতন নির্ধারিত হয়েছিল; যার ২০তম থেকে ১১তম পর্যন্ত গ্রেডের ব্যবধান নির্ধারিত হয়েছিল সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা।
অথচ দশম থেকে প্রথম গ্রেডের ব্যবধান রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে ১৩তম গ্রেডধারী সহকারী শিক্ষক এবং ১১তম গ্রেডধারী প্রধান শিক্ষকের জীবনমানের কোনো উন্নয়ন ঘটেনি।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বৈষম্য নিরসনে সহকারী শিক্ষকদের ১২তম, সহকারী প্রধান শিক্ষক ১১তম এবং প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড প্রদানের প্রস্তাব করেছে। বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষক সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সহকারী শিক্ষককের দশম গ্রেডে এন্ট্রি ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির দাবি জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলন থেকে কয়েকটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সেগুলো হলো– আগামী ৩ অক্টোবর সারাদেশে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে একযোগে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান; ৮ অক্টোবর বিভাগীয় শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মানববন্ধন এবং বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান; ১৭ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ১৯ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদানসহ পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমন্বয় পরিষদের আমিনুল হক, গাজীউল হক চৌধুরী, আসমা খানম, সাবেরা বেগম, মোজাম্মেল হোসেন, কামরুল হাসান, মিজানুর রহমান, আনোয়ার উল্লাহ, প্রমথেশ দত্ত, আনজারুল ইসলাম, ওয়ায়েছ চৌধুরী, টিএম জাকির হোসেন, গাজী সালাউদ্দিন, রবিউল আওয়াল, শিবাজী বিশ্বাস, মো. জাহাঙ্গীর, আহসান হাবিব, মো. মাসুদ প্রমুখ।