বাংলাদেশ দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব সামলান লিটন দাস। তার নেতৃত্বে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা।
তবে সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ক্রিকেটে বাংলাদেশের স্থায়ী অধিনায়ক কে হবেন সেই প্রশ্নের এখনও মীমাংসা হয়নি। আসন্ন সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তান সফরের আগে নতুন করে আলোচনায় টাইগারদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্বের প্রসঙ্গ। বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, উইকেটকিপার ব্যাটার লিটনই হতে যাচ্ছেন জাতীয় দলের পরবর্তী টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
রোববার (৪ মে) আসন্ন এই দুই সিরিজকে সামনে রেখে স্কোয়াড ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একইসঙ্গে ঘোষণা করা হবে নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের নামও। এই তালিকায় লিটনের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছেন তাসকিন আহমেদের নামও। তবে টাইগার এই পেসার গোড়ালির ইনজুরিতে ভুগছেন। কবে মাঠে ফিরবেন সেটিও এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে, আঙুলের চোটে ভুগছেন লিটনও। তবে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ আশা করছে আসন্ন আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজের আগে ফিট হয়ে উঠবেন লিটন। এছাড়া লিটন-তাসকিনের সঙ্গে তাওহীদ হৃদয়ের নামটিও ছিল সম্ভাব্য অধিনায়কের তালিকায়। তবে তরুণ এই ব্যাটারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে সেই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
২০২৬ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করার কথা জানিয়েছে বিসিবি। সেজন্য দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটির অধিনায়ক ও কারা বিবেচনায় আছেন সেসব ক্রিকেটারদের এখন থেকেই পরিকল্পনার মধ্যে রাখতে চায়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ক্রিকেটারদের ওপর বাড়তি নজর দিচ্ছে বোর্ড।
অন্যদিকে, আগে থেকে কথা ছিল মে মাসে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজ খেলবে। তবে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে দুই দলই রাজি হয়েছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের। পাকিস্তানের মাটিতে আগামী ২৫ মে থেকে শুরু হবে এই সিরিজ। অবশ্য পাকিস্তান সফরের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষেও দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১৮ এবং ২০ মে হবে দুটি ম্যাচ।