বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন




ইমাম-মুয়াজ্জিনদের যে সুসংবাদ দিলেন সারজিস

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫ ১:৩০ pm
file pic

সরকারিভাবে নির্মিত উপজেলা মসজিদ কমপ্লেক্সগুলোতে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খাদেমদের সুসংবাদ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সুসংবাদ দেন।

সারজিস ফেসবুকে লেখেন, ‘সরকারিভাবে নির্মিত উপজেলা মসজিদ কমপ্লেক্সগুলোতে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খাদেম রয়েছেন। তাদের বেতন যথাক্রমে ১৫ হাজার, ১০ হাজার এবং সাড়ে ৭ হাজার টাকা। গতকাল নামাজ শেষে একটি মসজিদে ইমাম সাহেব এসে বললেন এই বেতনে তাদের চলা খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এখানে অন্য কোনো কিছু করার সুযোগ নেই। সেই ফজর থেকে শুরু করে এশা পর্যন্ত মসজিদেই থাকতে হয়। কিন্তু তাদের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার কেউ নেই।

পরবর্তীতে এই বিষয়ে মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টার সাথে কথা হয়। আমরা এনসিপির পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খাদেমের জন্য বেতন আপাতত কিছুটা বাড়িয়ে যথাক্রমে অন্তত ২০ হাজার, ১৫ হাজার এবং ১০ হাজার করার আহ্বান জানাই।

মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টা বিষয়টিকে অত্যন্ত যৌক্তিক মনে করেন এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই আমরা এর বাস্তবায়ন দেখতে পাবো।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও এটাই সত্য যে, বাংলাদেশের অনেক মসজিদে অনেক ইমাম এবং মুয়াজ্জিন রয়েছেন যারা মাসে ৫ হাজার টাকাও বেতন হিসেবে পান না।

তাই আমরা এটাও মনে করি, একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মসজিদের সম্মানিত ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদেরকে একটি বেতন কাঠামোতে নিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরী।’

৪৪তম বিসিএসের ফাইল হ্যাঁ বা না বলে ছেড়ে দিন

৪৪তম বিসিএস রিপিট ক্যাডার বিধি সংশোধনের ফাইল চূড়ান্ত স্বাক্ষর করে ছেড়ে দিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

সারজিস আলম লিখেছেন, ‘৪৪তম বিসিএস রিপিট ক্যাডার বিধি সংশোধনের ফাইল চূড়ান্ত স্বাক্ষরের জন্য আজ বহুদিন যাবৎ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পড়ে আছে। কারণ জানি না।’

তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ বা না বলে ফাইল ছেড়ে দিন প্লিজ। ফাইল সেখানে থাকা অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় দুইবার বিদেশ ঘুরে এলেন। কিন্তু ফাইল নড়ে না।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এর চেয়ে দুর্ভাগ্য আর কিছু হতে পারে না। অথচ ছেলে-মেয়েদের জীবন নির্ভর করেছে এর ওপর। একটা যৌক্তিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এত লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কেন?’




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD