বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন




সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পদ জব্দ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬ ১০:৩২ pm
টাকা-taka চাঁদাবাজি ঋণ চুরি Anti Corruption Commission acc দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক Dudok টাকা পাচার Per capita income মাথাপিছু আয় Reserves Reserve রিজার্ভ remittance রেমিট্যান্স প্রবাসী আয় ডলার dollar Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা taka taka money laundering illegal process money generated criminal drug trafficking terrorist funding illegally concealing illicit drug trafficking corruption embezzlement gambling converting legitimate source crime jurisdictions আমদানি ওভার ইনভয়েসিং রপ্তানি আন্ডার-ইনভয়েসিং আমদানি-রপ্তানি অবৈধ জাল অর্থ পাচার জিএফআই মানি লন্ডারিং আর্থিক খাত গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ হুন্ডি অর্থ পাচার taka
file pic

ব্যাংক জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে চলমান একটি তদন্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সাইপ্রাসে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি জব্দ করেছে দেশটির আদালত।

ঢাকার উদ্যোগে শুরু হওয়া পারস্পরিক আইনি সহায়তা পদ্ধতির অধীনে সাইপ্রাসের অর্থ পাচার বিরোধী ইউনিট ‘মোকাস’-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ মে নিকোসিয়া জেলা আদালত জব্দের আদেশ জারি করেছে বলে জানায় সাইপ্রাস মেইল এবং সাইপ্রাস ইনফর্ম।

সম্পত্তিটি দেশটির পারেক্লিসিয়ায় অবস্থিত একটি দোতলা আবাসিক ভবন।

এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সাইফুল, ২০১৬ সালে দেশটির বর্তমানে বিলুপ্ত ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব লাভ করেন।

সাইপ্রাসের কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশি তদন্তকারীরা ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে একটি কোম্পানি নেটওয়ার্ক ও আর্থিক লেনদেনের সাথে যুক্ত প্রতারণামূলক ঋণদান, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন।

সম্পদ জব্দের আদেশের একদিন পর, এস আলম গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে দেওয়া প্রায় ৬০ লাখ ইউরোর একটি ঋণ সংক্রান্ত মামলায় বাংলাদেশের একটি আদালত সাইফুল এবং তার দশজন আত্মীয় ও সহযোগীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ৮০০ কোটি ডলার পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকার কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সাইফুলের সাথে যুক্ত কোম্পানিগুলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছিল, যার মধ্যে অনেকগুলোই পরে খেলাপি হয়ে যায়।

তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস এবং জার্সিতে নিবন্ধিত কোম্পানি ও ট্রাস্টের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এস আলম বিদেশে তহবিল স্থানান্তর করেছেন কিনা।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD