বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন




বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়চুক্তির তথ্য প্রকাশের সুপারিশ যুক্তরাষ্ট্রের

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬ ৫:১৩ pm
ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকা North America United States United State usa
file pic

বাংলাদেশে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তির তথ্যাবলি সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করার সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা বাড়াতে বাজেটের নথিপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতি অনুযায়ী প্রস্তুত করা ও সর্বোচ্চ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানের স্বাধীনতা দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে দেশটি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত ‘২০২৬ ফিসক্যাল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট: বাংলাদেশ’ শিরোনামের প্রতিবেদনে এসব সুপারিশ ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে বছরের শেষ হিসাব বিবরণী জনসমক্ষে প্রকাশ করে আর্থিক স্বচ্ছতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তারা পূর্ববর্তী সরকারের বাজেট সুপারিশ ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করার পাশাপাশি দেশের আর্থিক স্বচ্ছতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংস্কারের কাজ শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার তাদের নির্বাহী বাজেট প্রস্তাব ও অনুমোদিত বাজেট অনলাইনে উন্মুক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পুরোপুরি অনুসরণ না করা হলেও বাজেটের তথ্যগুলো সার্বিকভাবে নির্ভরযোগ্য ছিল। ঋণের বাধ্যবাধকতাসংক্রান্ত তথ্যও সর্বসাধারণের জন্য সহজলভ্য ছিল। এ ছাড়া বাজেট নথিপত্রে প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে অর্জিত রাজস্বসহ সরকারের পরিকল্পিত ব্যয় ও আয়ের যুক্তিসংগত ও মোটামুটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া গেছে।

তবে কিছু ঘাটতির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, সরকার নির্বাহী কার্যালয়গুলোর পরিচালন খরচের আলাদা হিসাব বাজেটে ছিল না, কিংবা বাজেট থেকে রাজস্ব ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি।

পাশাপাশি সরকারের সর্বোচ্চ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি। সরকারি হিসাব পর্যালোচনা করতে পারেনি তারা। এ ছাড়া সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত ই-জিপি ব্যবস্থা চালু হলেও এতে প্রবেশাধিকার বা তথ্যের সহজলভ্যতা আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে বলে মনে করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

আর্থিক খাতে পূর্ণ স্বচ্ছতা ফেরাতে বাংলাদেশ সরকারের জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে, যার মধ্যে আছে—প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের চুক্তিসংক্রান্ত মৌলিক তথ্য সবার সামনে আনা, অনুমোদিত বাজেটের সঙ্গে বাস্তব আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য রাখা, প্রধান নিরীক্ষা কার্যালয়কে পর্যাপ্ত অর্থ ও প্রয়োজনীয় স্বায়ত্তশাসন দেওয়া। সর্বোচ্চ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান যেন পুরো বছরের বাজেট সময়মতো সরাসরি নিরীক্ষা করতে পারে, তা নিশ্চিত করার কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD