শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন




মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬ ৩:২৫ pm
বন্দর আমদানি বাণিজ্য import trade trade Export Promotion Bureau EPB Export Market বাণিজ্য রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি export shop food ভোজ্যতেল চিনি আটা vegetable Vegetables mudi dokan bazar মুদি বাজার নিত্য পণ্য দোকান mudi dokan bazar মুদি বাজার নিত্য পণ্য দোকান romzan ডলার রোজা রমজান পণ্য ভোগ্যপণ্যের আমদানি এলসি ভোগ্যপণ্য খালাস স্থলবন্দর বাজার
file pic

রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২০০ টাকায় মিলছে না কোনো মাছ। একই সঙ্গে ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা হওয়ায় বাড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার খরচ। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামেই ঊর্ধ্বগতি থাকায় ক্রেতাদের খেতে হচ্ছে হিমশিম।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাংসের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে আজ বিক্রি হয়েছে ১৯০ টাকা, সোনালি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। ডিমের বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। সাদা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে এলাকাভেদে বাজার ও পাড়া-মহল্লায় এসব পণ্যের দামে কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের মতো আছে। আজকে ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহে একই দাম ছিল। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।

মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০, আর ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারে আবু দাউদ নামে ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ কিনতে এসে এখন রীতিমতো অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা কফিল উদ্দিন বলেন, মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে তো পরদিনই আবার বাড়ছে।

ক্রেতারা জানান, বাজারে এসে এখন মাছ, মুরগি আর ডিম কিনতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। একটার দাম একটু কম, তো আরেকটার দাম বেড়ে যাচ্ছে। ২০০ টাকার মধ্যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, ব্রয়লার মুরগির দামও অনেক বেশি। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। আমাদের আয় তো সেভাবে বাড়েনি, কিন্তু বাজার খরচ প্রতিদিনই বাড়ছে। আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন সেই টাকা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যাবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD