শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন




এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রি’ বলা সস্তা ও অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:৩৯ pm
CM Muktadir Minister Khandaker Abdul Muktadir খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
file pic

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা সস্তা ও অমূলক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এ চুক্তি করা হয়েছে। মেয়াদ শেষে বাংলাদেশ চাইলে চুক্তি নবায়ন করতে পারবে, না হয় এ চুক্তির অবসান ঘটাতে পারবে।

শুক্রবার সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, চুক্তির ফলে বন্দরে কর্মরত কেউ চাকরি হারাবেন না। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তি হয়েছে। টার্মিনালের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়লে কর্মীদের পারিশ্রমিকও বাড়বে বলেও জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে অন্যতম প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক। অন্যদিকে, ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মুক্তবাণিজ্য সুবিধা থাকায় দেশটি কখনো কখনো বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে গেছে। পরে বাংলাদেশ আবার সেই অবস্থান ফিরে পেয়েছে।

সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নগরীর ৪২টি ওয়ার্ডে সড়কের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০০ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার সড়কের কাজ হয়েছে। বাকি রয়েছে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো ধর্মীয় সম্প্রীতি পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই। এই সম্প্রীতি আমাদের অনন্য সম্পদ। বিশ্বের অনেক বড় গণতান্ত্রিক দেশেও এ ধরনের সম্প্রীতির নজির দেখা যায় না। পরে তিনি নগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৩৪ লাখ টাকা অনুদান তুলে দেন।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

পরে বিকেলে মন্ত্রী কুমারগাঁও-বাদাঘাট সড়কসহ কয়েকটি সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন ও পৃথক কর্মসূচিতে যোগ দেন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD