রাজধানীর সিদ্দিকবাজারে ভবনে বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) রাতে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ। নিহতরা হলেন, বংশালের সুরিটোলার মমিনের ছেলে কাতার প্রবাসী মো. সুমন (২১), বরিশালের চর সন্তোষপুরের কাজির হাট থানার মৃত দুলাল মৃধার ছেলে ইসলামপুরের কাপড় ব্যবসায়ী ইসহাক মৃধা(৩৫), যাত্রাবাড়ির পশ্চিমপাড়ার মোশাররফ হোসেনের ছেলে মুনসুর হোসেন (৪০), মাতুয়াইলের নুরুল ইসলাম ভূইয়া (৫৫), মীর হাজারীবাগের মো. ইদ্রিস মীর (৬০), আলু বাজারের লুৎফর রহমান লেনের মো. ইসমাইল (৪২), চাঁদপুরের মতলবের পশ্চিম লালপুরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে বিবিএ শিক্ষার্থী আল আমিন (২৩),কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ চৈনকুটিয়ার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রাহাত (১৮), মুন্সীগঞ্জের সৈয়দপুর গ্রামের মাঈন উদ্দিন (৫০), গজারিয়ার বালুয়াকান্দি গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে আবু জাফর সিদ্দিক (৩৪), বংশালের কে পি ঘোষ স্ট্রিটের ইউনুছ হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন (২৫), আগামসি লেনের আনোয়ারুল ইসলামের স্ত্রী আকুতি বেগম (৭০), মানিকগঞ্জের চর বেউথা গ্রামের ওবায়দুল হাসান বাবুল (৫৫), সিয়াম (১৮) এবং বংশালের জাবেদ গলির হৃদয় (২০) এবং সম্রাট।
এছাড়া দুর্ঘটনায় এক দম্পতিরও মৃত্যু হয়েছে। এরা হলেন মমিনুল ইসলাম (৩৮) ও তার স্ত্রী নদী বেগম (৩৬)। তারা চকবাজার থানার ইসলামের একটি বাড়িতে থাকতেন।
নিহতদের মধ্যে ১৫ জনকেই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে বিকেল ৪টা ৫৭ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রথমে পাঁচটি ইউনিট উদ্ধারকাজ শুরু করে। পরে প্রয়োজন অনুসারে ইউনিটের সংখ্যা বাড়িয়ে ১১টিতে উন্নীত করা হয়। বিস্ফোরণে দুটি ভবন ক্ষতিগস্ত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন শতাধিক। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকাজ শেষ হলে আহত-নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জানা যাবে। আহতদের অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।