শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ (নগদ ও বোনাস) লভ্যাংশ দেবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক(ইউসিবি) পিএলসি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ, আর ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ।
জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার প্রতি ৫০ পয়সা করে মোট ৭০ কোটি ৩১ লাখ ১৮ হাজার ৩২১ টাকা লভ্যাংশ দেবে ব্যাংকটি। এছাড়া দুটি শেয়ারের বিপরীতে একটি করে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেবে। ব্যাংকটির সর্বশেষ বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানি সচিব এটিএম তাহমিদুজ্জামান। তিনি বলেন, ২০২২ সালে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৩৫ পয়সা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ দেবে। বাকি টাকা কোম্পানির রিজার্ভ ফান্ডে রাখার পাশাপাশি অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হবে। এর আগের বছর ২০২১ সালে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা। সেই বছর শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। সেই হিসাবে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। কিন্তু লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়েনি।
ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২৬ জুন। ওইদিন ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোম্পানির এজিএম বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ মে। ১৯৮৬ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৮ টাকা ৫৬ পয়সা। যা আগের বছর ছিল ২৬ টাকা ৫৭ পয়সা। কোম্পানির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৪০ কোটি ৬২ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৩টি। মঙ্গলবার সর্বশেষ শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩ টাকায়।
শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক (বোনাস) লভ্যাংশ দেবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে। এছাড়াও ২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। বুধবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর তথ্য মতে, ২০২২ সালে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেবে। এর আগের বছর ২০২১ সালে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২০ পয়সা। সে বছর শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক। এর মধ্যে ৫ শতাংশ স্টক ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। সেই হিসাবে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে কোম্পানির মুনাফা কমেছে।
ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২০ জুন। ওইদিন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোম্পানির এজিএম সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ মে। বোনাস শেয়ার লভ্যাংশের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিএসইসির চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে।
ব্যাংকটি তার আগের ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ হারে স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল।
২০০৮ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২১ টাকা ৩২ পয়সা। যা আগের বছর ছিল ১৯ টাকা ৪৫ পয়সা। কোম্পানির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১০৪ কোটি ৬০ লাখ ৮ হাজার ১২১টি। মঙ্গলবার সর্বশেষ শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ টাকা ৮০ পয়সা। এদিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩৭ পয়সা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ৫৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে বিদায়ী বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর তথ্য মতে, ২০২২ সালে বিমার সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। সেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেবে। অর্থাৎ শেয়ার প্রতি ১ টাকা করে মোট ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১৪ টাকা দেবে।
এর আগের বছর ২০২১ সালে বিমা কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা। সে বছর শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিমা কোম্পানিটি। সেই হিসেবে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে কোম্পানির মুনাফা কমেছে। কমেছে লভ্যাংশ দেওয়ার পরিমাণও।
ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিতে অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২৭ জুলাই। ওইদিন ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোম্পানির এজিএম দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ মে।
বিমা কোম্পানিটি তার আগের ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এবং এর আগের বছর ২০১৯ সালে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ১৯৯৫ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২০ টাকা ৭২ পয়সা। কোম্পানির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭৬ হাজার ১১৪টি। বুধবার লেনদেন হয়েছে ২৭ টাকা ৭০ পয়সা।