আল কাদির ট্রাস্ট মামলায় ইমরান খানের জামিন আবেদনের শুনানি জুমার নামাজ শেষে শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে তাকে জামিন দেয়া হয়। এ সময়ে সতর্কতা দিয়ে ইমরান বলেছেন, তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হলে দেশজুড়ে অস্থিরতা দেখা দেবে। এর আগে ইমরান খান হাজির হন ইসলামাবাদ হাইকোর্টে। ২ নম্বর কোর্টরুমে এই আবেদনের শুনানি করছেন বিচারপতি মিয়াগুল হাসান আওরঙ্গজেব ও বিচারপতি সামান রাফাত ইমতিয়াজ। এর আগে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে গ্রেপ্তারকে অবৈধ ও বেআইনি বলে রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়ালের নেতৃত্বে গঠিত তিন বিচারকের বেঞ্চ এদিন ইমরান খানকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার নির্দেশ দেয়। আজ শুক্রবার ইমরান খানকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে শুনানিতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেয় আদালত। প্রধান বিচারপতি তাকে জানান, সেখান থেকে যে রায় দেয়া হবে, তিনি যেন তা মেনে নেন। পরে তা ইসলামাবাদ পুলিশ লাইন্সের গেস্ট হাউজে রাখা হয় ইমরানকে।
অনলাইন ডন জানাচ্ছে, ইমরান খানের আইনজীবীরা মূল জামিন আবেদনের সঙ্গে আরও চারটি আবেদন দাখিল করেছেন। এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ খারিজ করে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্টকে। ইমরান খানের বিরুদ্ধে নিবন্ধিত মামলাগুলোর বিস্তারিত তাকে জানাতে যেন আদালত কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশনা দেন। আজ শুক্রবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘন্টা পরে শুনানি শুরু হয়। মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়, আদালতের বাইরে নিরাপত্তা রক্ষায় কর্মকর্তারা কাজ করছিলেন বলে এই বিলম্ব। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের সময় কঠোর নিরাপত্তায় আদালতে পৌঁছেন ইমরান খান। পরে স্থানীয় সময় দুপুর একটায় শুনানি শুরু হওয়ার পর পরই জুমার নামাজের জন্য শুনানি মুলতবি করা হয়। তবে জিও নিউজ বলেছেন, আদালতের ভিতরে ইসলামপন্থি স্লোগান দেয়ার কারণে আদালতের এজলাস থেকে চলে যান বিচারকরা।
টেলিভিশনের ফুটেজে দেখো গেছে পুলিশ এবং রেঞ্জার্সদেরকে আদালত চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে। আদালতের গেটে দেয়া হয়েছে কাঁটাতার। ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে বিপুল সংখ্যক আইনজীবীকে ইমরান খানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে স্লোগান দিতে দেখা যায়। ইসলামাবাদ পুলিশ বলেছে, আদালত চত্বর থেকে অপ্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্যদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ডিআইজি অপারেশন শাহজাদ বুখারি পুরো পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করছেন।