পৌষের শেষের দিকে এসে ঘন কুয়াশা মিশেছে হিমেল হাওয়ায়, সেই সঙ্গে দেশের কয়েক জায়গায় আকাশ মেঘলা, ঝরতে পারে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিও।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঠিক একদিন আগের আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি থাকতে পারে রোববার ভোটের দিনও।
আবহাওয়া অধিদপ্তর শনিবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়। দুদিন আগে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছিল দেশের উত্তরের এই জেলা; বুধবার তেঁতুলিয়ায় পারদ নেমে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন বলেন, “ঘন কুয়াশাতো আছেই। বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগে হালকা মেঘলা থাকতে পারে; দুয়েক জায়গায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকা এখন যেমন আছে তেমনই থাকবে। রোববার ভোটের দিনও আবহাওয়া পরিস্থিতি একই থাকবে।”
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তার ভাষ্য, সারাদেশে মধ্যরাত থেকে কুয়াশা ঝরছে। কোনো কোনো জায়গায় বিকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়বে।
ঢাকাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তীব্র শীত পড়েছে। উত্তরের জেলাগুলোয় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
কয়েকদিন ধরে দেশের উত্তরের জেলা সৈয়দপুর, নীলফামারী, দিনাজপুর,পঞ্চগড়, পাবনার ঈশ্বরদীসহ আরও কয়েক জেলায় পারদ থাকছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের এপার-ওপার। এমন শীত চলতি মাসজুড়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
এই ঘন কুয়াশা বিমান, নৌ এবং সড়ক পথে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে পারে বলেও জানান মনোয়ার হোসেন।
চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে জানুয়ারিতে দেশে একটি-দুটি মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
দেশের বড় এলাকাজুড়ে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে সেটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়।