কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে বারবার এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পেছানোয় দুশ্চিন্তায় পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, যে পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে সেগুলোর জন্য আবার নতুন করে প্রস্তুতি নিতে হবে। এতে পড়াশোনার গতি কমে যাবে। এ ছাড়া গত এক মাসে মাত্র তিনটি পরীক্ষা দিতে পেরেছেন তারা। এর ফলে পরবর্তীতে সেশন জটে পড়ার শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, বারবার সময়সূচি পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরাও। তারা বলছেন, পরীক্ষা পেছানোয় আমারা তাদের পড়ার টেবিলে আর নিয়মিত হতে দেখছি না। আমরা বলার পরও তারা পড়াশোনায় মনযোগী হতে পারছে না।
অন্যদিকে, শিক্ষকরা বলছেন, বারবার পরীক্ষা পেছানোর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে পরীক্ষার্থীদের ফলাফলের ওপর। খুলনা সরকারি মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন, যেকোনো পরীক্ষার যখন সিডিউল ঘোষণা করা হয়, তখন এটা পরীক্ষার্থীদের ওপর একটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করে। যা পরীক্ষার্থীরা সহনশীলভাবে নিয়ে পড়াশোনায় নিয়মিত হয়।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। তবে সিলেটে বন্যার কারণে পরীক্ষা শুরু হয় ৯ দিন পর। সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় চার দিনের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। আগামীকাল সোমবার (২৮ জুলাই) থেকে যথারীতি সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আর স্থগিত হওয়া পরীক্ষা ১১ আগস্টের পর নেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।