রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন




মেয়েদের ফুটবল লিগে পুল প্রথা!

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫ ১০:২৬ am
women football Bangladesh Football Federation BFF বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বিএফএফ বাফুফে নারী মহিলা
file pic

মেয়েদের ফুটবল লিগে আবাহনী ও মোহামেডানের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলোকে টানতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। একটি করপোরেট ক্লাব প্রতিবছর শক্তিশালী দল গঠন করে শিরোপা নিয়ে যায়।

সেই ধারার পরিবর্তন আনতে প্রথমবারের মতো এবার পুল প্রথা চালু করতে চায় বাফুফে। ফিফার নির্দেশনা অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি লিগের জন্য মাসে ১০ লাখ টাকা করে চাইছে ক্লাবগুলো। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, মেয়েদের লিগ নিয়ে বেকায়দায় পড়তে যাচ্ছে বাফুফে। রোববার বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর মধ্যে ব্রাদার্স ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম আবাহনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও রহমতগঞ্জের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব কিংস, আবাহনী কিংবা মোহামেডানের কর্তারা ছিলেন না।

নারী ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ায় টানা দুবার সেরার তকমা জিতেছে বাংলাদেশ। কিন্তু সেই দেশের মেয়েদের ঘরোয়া আসরের করুণ দশা। বারবার মনোন্নয়নের চেষ্টা করেও পারেনি কর্তৃপক্ষ। তাই এবার প্রিমিয়ার লিগের কয়েকটি ক্লাবের পাশাপাশি গত লিগে অংশ নেওয়া দলগুলোর সঙ্গে সভায় বসেন বাফুফের কর্তারা।

সভা শেষে জানা গেছে, ক্লাবগুলোর আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে খেলোয়াড়দের পুল করার বিষয়টি ওঠে। এতে দলগুলো প্রায় সমশক্তির এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার মান বাড়বে বলে মনে করেন তারা। আগে মেয়েদের লিগ সাধারণত এক-দেড় মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যেত। খেলোয়াড়রা মাত্র সাত-আটটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতেন। ফিফার নির্দেশনায় আসন্ন লিগের কলেবর বাড়াতে চায় বাফুফে।

জানা গেছে, ফিফার স্বীকৃতি পেতে হলে লিগের দৈর্ঘ্য ছয় মাস এবং ৯০ ম্যাচ হতে হবে। আর এতেই বাধে বিপত্তি। দীর্ঘমেয়াদি লিগের জন্য ক্লাবগুলো বাফুফের কাছে মাসে ১০ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য চেয়েছে।

সভা শেষে রহমতগঞ্জের সভাপতি হাজী টিপু সুলতান বলেন, ‘একটি ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রস্তাব এসেছে, যাতে প্রতি মাসে ক্লাবগুলোকে ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। অন্য ক্লাবগুলোরও এতে সায় রয়েছে। আর্থিক সহায়তা না পেলে দীর্ঘমেয়াদি লিগ খেলা সম্ভব নয়।’

জানা গেছে, মতবিনিময় সভায় পেশাদার লিগের ক্লাবগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও লিগ কমিটির চেয়ারম্যান এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দম্ভোক্তি করে মহিলা ফুটবল উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার যুক্তি দেখান, ‘আমি দেশের শীর্ষ ১০টি ক্লাবকে ডেকেছি। কোনো কমিটির অধীনে ক্লাবকে ডাকা হয়নি। এটা সম্পূর্ণ ক্লাবগুলোর এখতিয়ার বা স্বাধীনতা কোন খেলা খেলবে কী খেলবে না।’

কিরণ এমন মন্তব্য করলেও সাধারণ সম্পাদকের চিঠিতে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের অংশগ্রহণকারী সব ক্লাবের বিষয়টি উল্লেখ ছিল। মোহামেডান ক্লাবের দাবি, তারা নারী দল গঠনের আগ্রহী হলেও মতবিনিয়ম সভায় অংশ নেওয়ার কোনো চিঠি তারা পায়নি।
(যুগান্তর)




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD