বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সীমান্ত। সীমান্তে সুড়সুড়ি দিচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। সরকার মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। আমরা প্রতিবাদ করছি, জনগণ প্রতিবাদ করছে। শুধু প্রতিবাদ করছে না, প্রতিরোধ করার জন্য বিজিবির সৈনিকদের সঙ্গে সমানতালে জনগণ লড়াই করে যাচ্ছে। আমরা এই সংগ্রামী বীরদেরকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু সরকার কোনো কথা বলছে না’। শনিবার বিকালে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে চার দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘হাদি হত্যার বিচার করতে না পারলে পদত্যাগ করুন। পরবর্তী সরকার এসে বিচার করবে।’
বর্তমান সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ‘তিস্তা বাঁচাও’ আন্দোলন করলেও বাজেটে এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। তিনি ঘোষণা করেন, আগামীতে ইনশাআল্লাহ ১১ দলীয় ঐক্য নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।’
জামায়াত আমির রংপুর বিভাগকে ‘কৃষির রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন। তিনি আলু চাষীদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বর্তমানে হিমাগারে প্রতি বস্তা আলুর জন্য ৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে যা কৃষকদের ওপর জুলুম। তিনি আলুর বস্তা রাখার খরচ কমানো এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানান।’
তিনি অঙ্গীকার করেন, ‘১১ দলের সরকার গঠিত হলে দেশে কোনো চাঁদাবাজ বা দুর্নীতিবাজের জায়গা হবে না। এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও যদি দুর্নীতির সাথে জড়িত হন, তাকেও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’