বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন




মালয়েশিয়াসহ শ্রমবাজারের সব সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে: জামায়াত আমির

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:৫৬ pm
Bangladesh Jamaat-e-Islami amir dr Shafiqur rahman জামায়াত ইসলামী আমির ডা শফিকুর রহমান Jammat Amir amir
file pic

মালয়েশিয়াসহ শ্রমবাজারের সব সিন্ডিকেট বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা শ্রমবাজারের কোনো সিন্ডিকেট চাই না। সাধারণ শ্রমিকদের ওপর জুলুম-শোষণ চাই না। সিন্ডিকেটে আমার ভাই থাকলেও তাকে বের করে দেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই মালয়েশিয়ার বাজার উন্মুক্ত হোক। তবে অসৎ কোনো ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠান যেন কোনো সুবিধা না পায়। তিনি বলেন, ২৫টি মাস্টার এজেন্সির কারও কারও আগের কোনো অভিজ্ঞতাই নেই, তাহলে কিসের ভিত্তিতে তাদের সিলেক্ট করা হলো? ১৫ থেকে ২২ কোটি টাকা সেখানে বিনিয়োগের যে কথা শোনা যাচ্ছে, তা সত্য হলে আমরা সেটি অত্যন্ত ঘৃণার সঙ্গে ধিক্কার জানাই। নিশ্চয় তারা সরকারের সঙ্গে জড়িত, না হলে এটা হয় কীভাবে? সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা জড়িত নয়। সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে যে, কোন মানদণ্ডে তাদেরকে সিলেক্ট করা হয়েছে?

তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা সরকারকে বলব, বন্ধ করেন, কোনো আমিনের নাম আর শুনতে চাই না। এই আমিনরা কী করবে বাংলাদেশ দেখে ফেলেছে। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান যদি পারে, তাহলে বাংলাদেশকেও পারতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আন্দোলন করে যেভাবে প্রবাসীদের ভোটাধিকার আদায় করেছি, একইভাবে শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেটমুক্ত করব ইনশাআল্লাহ।

এ সময় তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট বাদ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে বলে শুনছি। এটা করা হলে তাদের ওপর জুলুম-অবিচার করা হবে। আমরা এটা মানব না। জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে, এই শ্রদ্ধা ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলছে, চলতে থাকবে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এ দেশের সাধারণ মানুষের দাবি-কাজের প্রয়োজনে আমি বিদেশ যাব, সরকার যেন শোষণের হাতিয়ার না চালায়। সবকিছু পরিষ্কার করতে হবে। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান যেভাবে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা করবে, বাংলাদেশ সরকারও সেভাবে করবে। এতে আমাদের যত সহযোগিতা লাগে সব দেব। কিন্তু বর্তমানটাকে ধরে রেখে যদি জনগণকে শোষণ করার চেষ্টা হয়, তাহলে এটা দুঃসংবাদ হয়ে তাদের দিকে ফিরে যাবে। এতে আমরা কারও মুখের দিকে তাকাব না। জনগণের স্বার্থের দিকে তাকিয়ে এই সিন্ডিকেট ভেঙে চুরমার করে দেব ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে শুধু শ্রমবাজার সিন্ডিকেট না, বাজার সিন্ডিকেটও জায়গায় জায়গায় বসে আছে। আমরা কথা দিচ্ছি, আমরা সরকারকে বাধ্য করব, না পারলে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা সুযোগ পেলে এসব সিন্ডিকেটের কোনো অস্তিত্ব কোথাও আমরা রাখব না। প্রথমে সিন্ডিকেটে কারও ভাই-ভাতিজা আছে কি না দেখে সেখানে আঘাত দেব। এটাকে প্রথমে শূন্য ঘোষণা করে তারপর সব সিন্ডিকেটকে শূন্য ঘোষণা করা হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সমস্যা শুধু মালয়েশিয়া ঘিরে নয়। দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বেশি হচ্ছে। আরব আমিরাতে বেশ কিছু দিন ধরে বাংলাদেশের বৈধ ভিসাধারী সেখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুবাই-আবুধাবি বিমানবন্দরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের দেশে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আপনার ভিসা অকার্যকর। এভাবে ফিরে আসা শুধু তাদের চাকরির অধিকার নয়, একটা দেশকে অপমানের শামিল।

তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব ছিল এর সমাধান করা। কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ পার হলেও এটার সমাধান হচ্ছে না কেন? কারণ—বর্তমান সরকার নিজেরাই বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন এবং মালয়েশিয়ায় মিলে-মিশে গড়ে তুলেছেন।

জামায়াত আমির বলেন, মাছ কখনো পানি ছাড়া বসবাস করতে পারে না। কিছু ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী আছে, ঘুষ এবং মানুষের ওপর জুলুম ছাড়া তারাও বাঁচতে পারে না। কিন্তু এই জাতি কি তাদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করবে? প্রশ্নই ওঠে না। বাঙালি বীরের জাতি হলে লড়াই করেই তার অধিকার আদায় করতে হবে।

তিনি বলেন, এই জাতির লড়াইয়ের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। এত মানুষ লড়াই করে জীবন দিয়েছে, দুনিয়ায় খুব কম খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু আমাদের কিসমতটাই এমন যে, যেই যায় লঙ্কায়, সেই হয়ে যায় রাবণ। লঙ্কায় যাওয়ার আগে একেকজন দরবেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়, আমরা এই করব, ওই করব, কিন্তু লঙ্কায় যাওয়ার পর সব ভুলে যায়, কিছুই আর মনে থাকে না। বর্তমান সরকারও দেশবাসীর সঙ্গে তাই করছে। যাওয়ার আগে যতগুলো ওয়াদা দিয়েছিল, এখন সবগুলো অস্বীকার করছে। এবং উল্টোপথে চলছে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকার গণভোটের জন্য আহ্বান জানিয়ে এখন মানবে না। জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে, কিছুই করবে না। স্বাধীন বিচার বিভাগ করবে, সেটাকে আবার স্বাধীনতার সেক্রেটারি এটার তালা লাগিয়ে দিয়েছে। দুদক, মানবাধিকার, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন হবে—এখন দেখা যায় নির্বাচন কমিশনে বহু আগে অবসর নেওয়া দলীয় কর্মীকে অতিরিক্ত সচিব পদে বসানো হয়েছে। প্রবাসীদের শুধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলে তাদের প্রতি জাতির দায়িত্ব আদায় হবে না, বরং তাদের অধিকার না দেওয়া হলে এটা উপহাসের শামিল হবে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা তিনবার বন্ধ হয়েছে। আমরা চাই না, এটা চালু হওয়ার পর চতুর্থবার বন্ধ হোক। এটা দেশের জন্য অপমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজন ফ্যাসিস্ট আমলে মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল, এখন পর্যন্ত সেটা কার্যকর আছে। আমরা সরকারকে বলব, বন্ধ করেন, কোনো আমিনের নাম আর শুনতে চাই না। এই আমিনরা কী করবে বাংলাদেশ দেখে ফেলেছে।

তিনি বলেন, শর্ষের মধ্যে ভূত। কোনো কোনো নেতা গোপনে গিয়ে আমিনদের সঙ্গে বৈঠক করে বলে শুনি। যারা জাতির এত ক্ষতি করেছে, তাদের সঙ্গে বৈঠকের এত ইন্টারেস্ট কোথায়? একজন শ্রমিক যদি ৫/৭ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যায়, তাকে এই টাকার ঋণ পরিশোধে যদি জীবনটাই চলে যায়, তাহলে তার কী হবে? তারা শান্তিতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না, তাদের সঙ্গে যারা জুলুম করে তারা মানুষ নামের কলঙ্ক। চব্বিশের পর এই ধারা বহাল থাকবে এটা আমরা কল্পনাও করিনি। কিন্তু যারা বড় বড় কথা বললেন, তারাই এটাতে লিপ্ত হয়ে গেলেন।

তিনি বলেন, আমরা কথা দিচ্ছি, সাত দফা দাবিতে আমরা আন্দোলনের মাঠে আছি। আমরা আগামীতে এই শ্রমবাজার সিন্ডিকেটমুক্ত করার দফাটা যুক্ত করে আট দফা করব ইনশাআল্লাহ। এই দাবিগুলো আদায় না করে ঘরে ফিরব না। ইনশাআল্লাহ জনগণেরই বিজয় হবে।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের রাজনীতি দেশ ও জনগণের জন্য। আমরা সেই রাজনীতিটাই বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা কোনো উচ্ছৃঙ্খল বিরোধীদল হতে চাই না। এর মাধ্যমে কোনো কলঙ্ক লেপন করতে চাই না। আবার আমরা মহান আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে অনুগতও হব না। জায়গামতো কথা বলব, যা উচিত মনে করব, চোখের দিকে তাকিয়ে তাই বলব। রাজনৈতিকসংবাদ

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করার উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার মানে আপনাদের কথা বলতে দেওয়া হবে না। যা ন্যায্য কথা তাই বলব, আইন যা করে করুক—এটা পরোয়া করি না। সেই আইন করার পথে বাধা দেব, যদি দেখি সেটা মানুষের মুক্তকণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য হচ্ছে তাহলে সেই আইন মানব না। আগাম ঘোষণা দিয়ে রাখলাম। আর গায়ের জোরে এটা চাপিয়ে দেওয়া হলে, যা সত্য ও ন্যায্য তা বলতেই থাকব, আইন যতবার পারে আমার ওপর প্রয়োগ করুক।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজারের আন্দোলনের এই লড়াইয়ে সবাইকে সঙ্গে চাই। বায়রার সদস্যদেরও যার যার জায়গা থেকে মাঠে নামতে হবে। সবাই মিলে নামলে একটা টর্নেডো তৈরি হবে। সেই টর্নেডো সব আগাছাকে উড়িয়ে ছাফ করে দেবে।

আমরা চাচ্ছি, একটা বড় টর্নেডো হোক। তবে সরকার যদি সংশোধন হয়ে ভালো পথে চলে আমরা তাদের সাধুবাদ জানাব। আমরা সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা চাই। কিন্তু জনগণের রক্ত শোষণ করবেন, আর বসে বসে আঙুল চুষব—এটা হবে না। এই সংস্কৃতিটাকে পাল্টানোর জন্যই আমাদের রাজনীতি।

মূল প্রবন্ধে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ান নাগরিক দাতুশ্রী আমিন নূর, বায়রার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন, সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক এমপি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ, নিজাম হাজারী ও সাবেক বিএনপি নেতা কাজী মফিজুর রহমানকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। এই সিন্ডিকেট ১০০টি সাব-এজেন্টের কাছ থেকে লাইসেন্স বাবদ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। উক্ত সিন্ডিকেট প্রতিটি শ্রমিক থেকে সিন্ডিকেট ফি বাবদ ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা এবং মেডিকেল ফি বাবদ ৩ হাজার টাকা আদায় করে, যার ফলে শ্রমিক নিয়োগের ব্যয় ৪-৫ লাখ টাকা নির্ধারিত হয়। বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদ অনুযায়ী এই সিন্ডিকেট প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করে এবং দুদকের তদন্তে প্রমাণিত হলেও ৫১ জনকে ক্ষমা করা হয় ও মূল হোতা রুহুল আমিন অধরাই থেকে যায়।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ না করে সরকার আবারও ২৫টি এজেন্সির নামে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠন করতে চাচ্ছে এবং এর নেপথ্যে দাতুশ্রী ও রুহুল আমিন জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। ৩৩৮টি এজেন্সির কথা বলা হলেও বাস্তবে ২৫টি এজেন্সি এই সিন্ডিকেটের মূল চালক। পতিত ফ্যাসিস্টের মতো বর্তমান সরকারেরও এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে এবং নতুন ২৫ লাইসেন্স বাবদ প্রায় ৪২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, যার ফলে অভিবাসন ব্যয় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার এজেন্টভিত্তিক সিন্ডিকেট ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ জানিয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে একে বৈধতা দিয়েছে। ২৫ এজেন্সির তালিকা, নামি লাইসেন্স ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে লাইসেন্স বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছে। প্রবাসীনেটওয়ার্কে যোগদিন

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শ্রমবাজারের সিন্ডিকেটের কথা শুনে আসছি, কিন্তু এই সিন্ডিকেট ভাঙার যেন কেউ নেই। কারণ সরকারই এই সিন্ডিকেটে জড়িত। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই সিন্ডিকেট ভাঙবই।

সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা দুর্নীতি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করতে পারলে বিএনপি পড়ে যাবে। কারণ বিএনপিতে তো এসব ছাড়া আর কিছু নাই।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, লেবার পার্টির চেয়ার মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD