দেশে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা ৪৪ হাজার ছাড়িয়েছে। বছরের প্রথম সাত মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর এই সংখ্যা দেশে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৯ সালে পুরো বছরে
দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ হাজার ৩৬১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। নতুন ভর্তি রোগীদের নিয়ে চলতি বছর এইডিস মশাবাহিত এ রোগে
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে অকল্পনীয় দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু। বর্ষার এই মাঝামাঝি সময়ে দেশজুড়ে আক্রান্ত-মৃত্যুর যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে, তাতে চলতি বছরই বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে রেকর্ড মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে আশঙ্কা
মেইন গেট খোলাই ছিল। ভেতরে ঢুকতেই এগিয়ে এলেন নিরাপত্তা প্রহরী। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি দেখিয়ে দিলেন দোতলার সিঁড়ি। কিন্তু দোতলার বেশিরভাগ কক্ষই খালি। চেয়ার-টেবিলও নেই। মেঝেতে পুরু ধুলোর আস্তর। রীতিমতো
ডেঙ্গুর ভরা মৌসুমে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ২১টি এলাকার ৩২০টি বাড়ি ও স্থাপনায় জরিপ চালিয়ে উদ্বেগজনক ফলাফল পেয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এই ২১টি এলাকার মধ্যে ২০টিতেই ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া গেছে ২০ শতাংশের
দেশে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। প্রতিদিনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটছে, হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন হাজারো রোগী। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (ডব্লিওটিও উইং) এস এম নাজিয়া সুলতানা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজেউন)। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সকালে তিনি রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত
বাংলাদেশে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ডেঙ্গু। প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এরই মধ্যে মহামারি পর্যায়ে পর্যায়ে চলে গেছে ডেঙ্গুর বিস্তার। অবশ্য সরকার এখনো সেই ঘোষণা
এইডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে এ বছর হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছে। নতুন করে নয়জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৫ জনে। বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ চিকিৎসা সেবা দেওয়া বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের