মহিমান্বিত রমজান বা রমাদান মু’মিনের জন্য পাথেয় সংগ্রহের সময়। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) রমাদানে অধিক পরিমাণ ইবাদত করতেন এবং তিনি উম্মতকেও অধিক পরিমাণ ইবাদত করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। রমাদানের মূল্যবান সময়কে কাজে লাগাতে
ফ্রান্সের বাংলাদেশ কমিউনিটি মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে এক বিশাল ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২রা মার্চ সেন্টারের সেক্রেটারি কাজী হাবীব ও এসিসটেন্ট সেক্রেটারি নুরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান
ইসলামে মাস হিসেবে রমাদানের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদা। এই মাসেই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিলো। এই মাসের কথা কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা বলেন, “রমাদান মাস, যাতে কোরআন নাযিল করা
দেশের আকাশে ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এতে রোববার (২ মার্চ) থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। সেই সঙ্গে শনিবার (১ মার্চ) থেকেই তারাবি পড়বেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আরবি
পবিত্র রমজান উপলক্ষে সর্বস্তরে সংযমের বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা পবিত্র রমজান উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যয় দেওয়া এক বাণীতে এ বার্তা দেন। বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সিয়াম
বাংলাদেশের আকাশে দেখা গেছে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ। রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র মাহে রামাদান। এ মাস আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে অসীম রহমত ও বরকত নিয়ে এসেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে রমজানের চাঁদ দেখার খবর নিশ্চিত করেছেন কয়েক জেলার জেলা প্রশাসক। পরে বাদ মাগরিব ইসলামিক ফাউন্ডেশনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ
রমাদানের প্রস্তুতিকে আমরা তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারি: ১. ব্যক্তিগত প্রস্তুতি। ২. পারিবারিক প্রস্তুতি। ৩. সামাজিক প্রস্তুতি। ব্যক্তিগত প্রস্তুতি : ১. রমাদানকে নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা। সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা
হজযাত্রাকে সহজ, সুন্দর ও নিরাপদ করতে ‘হজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার’ চালু করে হজযাত্রীদের সার্বক্ষণিক সেবার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
রমজান মাস চলে আসছে। ইফতারের সময় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়ার প্রচলন আছে। বাংলাদেশে সাধারণত খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা হয়। এরপর আসে ছোলা, আলুর চপ, বেগুনি ও মুড়িমাখা।