পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকের শাসনামলে আইসিটি বা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ঘটেছে নজিরবিহীন লোপাট। রাষ্ট্রীয় অর্থে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষা ছিল এ খাতের কার্যক্রমের গতিপথ। ডিজিটাল রূপান্তরের
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম স্থগিতের দাবিতে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একাংশ আন্দোলন চালিয়ে গেলেও এর কার্যক্রম বন্ধ করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ
অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) সচল সিম বা হ্যান্ডসেটের সংখ্যা অনেক বেশি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান
দেশে মোবাইল ফোনের দাম কমাতে উৎপাদিত ফোনের যন্ত্রাংশ ও আমদানি করা মোবাইল ফোনে শুল্ক কমিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ বিষয়ে শুল্ক ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের ৫২তম বৈঠকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর সংশোধন প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এর মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ সেবার মানবৃদ্ধি, এর রেগুলেশন এবং রাষ্ট্রের সার্ভেইলেন্স কাঠামোতে গঠনমূলক পরিবর্তন আনা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপদেষ্টা
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি (এনসিএসএ) সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগ ও রিপোর্ট গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া
দেশে মোবাইল ফোন চুরি ও অবৈধ আমদানি রোধে নির্ধারিত ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম চালুর তারিখ পুনরায় পেছানো হয়েছে। টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নতুন ঘোষণা
অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত অবৈধ সব মোবাইল ফোন নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী- ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুপমেন্ট
টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা জোরদার ও অনিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার রোধে সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন প্রক্রিয়া-এনইআইআর চালু করতে যাচ্ছে। এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন,
দেশের বাজারে বৈধভাবে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে ও বৈধ ফোন বিক্রি বাড়াতে আমদানি শুল্ক কমানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে বৈধ পথে মোবাইল আমদানিতে প্রায় ৬১ শতাংশ